
কলকাতা: মুখে যতই বলুন NDA-র সঙ্গে জোট করতে পারবেন না, তলে তলে তাই হচ্ছে। অন্তত NCPI-এ যোগদানকারী আবু তাহের ও খলিলুর রহমান সম্বন্ধে তেমনই অভিযোগ করলেন কালীঘাটপন্থী সাংসদ সৌগত রায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি, আবু তাহের মন্তব্য করেছিলেন, “এনসিপিআই (NCPI)-তে থাকলেও NDA-তে নেই।” সেই নিয়েই কালীঘাটপন্থী দুই তৃণমূল সাংসদ।
সৌগত বলেন, “ওরা তো মিলেই গেছে। ওদের মধ্যে দুটো ভাগ আছে। একদল দ্রুত বিজেপির সঙ্গে মিলে যেতে চায়। তাঁরা মন্ত্রী হতে আগ্রহী। আর এক দল দেখাচ্ছে ওরা আলাদা আছে।” তিনি আরও বলেন, “মূল তৃণমূল যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে গেছে তারা বিজেপি। এরা বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অংশ। এটা বাদ দিয়ে NCPI হয় না।”
আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করলেন আবু তাহের ও খলিলুর রহমা। তিনি বলেন,’রাজনীতিটাই জটিলতা। প্রতিদিন জটিলতার মধ্যে দিয়ে চলছি।’ এনসিপিআই এনডিএ-র শরিক হওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেও তিন সংখ্যালঘু সাংসদের অবস্থান নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জটিলতা তৈরি হয়েছে। এবার নবান্নে বসে আবু তাহের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এনডিএ-র নামে কোনও বৈঠকে তাঁরা যাবেন না।
তবে আবু তাহের যতই এমনটা বলুন, কালীঘাটপন্থী সাংসদরা তা মানতে নারাজ। কল্যাণ বলেন, “এই দুজন সাংসদ মিস গাইড করছেন। আর NCPI যে NDA-র শরিক সেইটাও নেতারা বলেছেন। আসলে এরা তো NCPI-তে যোগদানের পর কেউ কারও এলাকায় ঢুকতে পারছে না। এরা সবাই ভোট নিয়েছে। আর মুর্শিদাবাদে ৬৫ শতাংশ মুসলমান ভোটার। তাঁদের সঙ্গে বেইমানি করা হয়েছে। এখন একটা ধামাচাপা দেওয়ার মতো কথাবার্তা চলছে। ওরা NDA-র যে শরিক সেটা তো লিখিত ভাবে জমা দিয়েছে।” তবে এই নিয়ে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।