
কলকাতা: জনগণনার কাজে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে যোগ দেওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। যোগ না দিলে শাস্তি হবে, সে কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়। এবার স্কুল শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশিকা দিল শিক্ষা দফতর। স্কুলের সময় শিক্ষকদের জনগণনার কাজে অংশ নিতে হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, স্কুলের সময়ের পরে সেন্সাস সংক্রান্ত কাজ করা যেতে পারে। এছাড়া সপ্তাহান্তে জনগণনার কাজ করতে হবে। পঠন পাঠনে যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইতিধমধ্যেই জনগণনার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতত সেফ এনুমারেশনের প্রক্রিয়া চলছে। অর্থাৎ বাড়িতে বসে নিজে ফর্ম ফিল আপ করে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়েও সেন্সাসের কাজ করতে হবে। সেই কাজ করতে হবে শিক্ষকদের।
আগেই শিক্ষা দফতরের তরফে চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করতে হবে। যাঁরা এই কাজে অনীহা প্রকাশ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হতে পারে জরিমানা এবং জেলও। চিঠিতে বলে দেওয়া হয়েছে, ২০২৭ সালের জনগণনা (Census-2027)-এর কাজে শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও ক্লার্কদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। কোনও যুক্তি না দিয়েই জনগণনার দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করলে সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা এবং সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।