কলকাতা: সাক্ষাৎ যমদূত চলন্ত ট্রেনে। বিষধর সাপ ঘুরে বেড়াচ্ছে ট্রেনের কামরায়। ছোট্ট নয়, ইয়া বড় সেই সাপ। বিষধর কালাচ সাপ দেখে আত্মারাম খাঁচাছাড়া যাত্রীদের। ট্রেনে যাত্রী সুরক্ষা কোথায়? ফের একবার সেই প্রশ্ন উঠল।
শনিবার রাতে কাটিহার থেকে কলকাতাগামী, কাটিহার – হাওড়া এক্সপ্রেসে দেখা যায় বিষধর সাপ। জানা গিয়েছে, এটি বিষধর কালাচ সাপ। ট্রেনের কামরার মধ্যে ওই বিষধর সাপটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
কাটিহার – হাওড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীরা জানিয়েছেন, নন-এসি রিজার্ভ কামরায় একটি সাইড লোয়ার বার্থের তলায় ছিল সাপটি। আচমকাই সেটি বেরিয়ে আসে। যাত্রীরা দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কে সরে যান। এরপরে সাপটি ধীরে ধীরে ট্রেনের গেটের দিকে চলে যায়। দরজার পিছনেই লুকিয়ে পড়ে ওই বিষধর সাপ।
জানা গিয়েছে, রেলের কর্মীদের খবর দেওয়া হলেও, তারা যতক্ষণে আসেন, ততক্ষণে লুকিয়ে পড়ে বিষাক্ত সাপটি। অনেক খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আজ সকালে হাওড়ায় কারশেডে এলে, তখন ট্রেন সাফাই করার সময় সাপটির খোঁজ করা হবে। অর্থাৎ গতকাল রাতে বিষাক্ত সাপের সঙ্গেই প্রাণ হাতে নিয়ে সফর করতে হয় যাত্রীদের।
ভারতীয় রেলের ট্রেনগুলিতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব কোন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, তা এই ছবি প্রমাণ করছে। যাত্রীরা ইতিমধ্যেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে। রেলের কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগও জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, বর্ষাকালে এমনিতেই সাপের উপদ্রব বাড়ে। তার উপরে বর্তমানে বিহারের একটা বড় অংশই বন্যা কবলিত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সাপের উপদ্রবও বাড়ছে। সেখানে রেল কর্তৃপক্ষের ট্রেনগুলিতে যাত্রী সুরক্ষায় নজরদারি এবং রক্ষণাবেক্ষণের বেশি প্রয়োজন। কিন্তু সেই পরিষেবায় ঘাটতির প্রমাণ মিলল হাতেনাতে।
কলকাতা: সাক্ষাৎ যমদূত চলন্ত ট্রেনে। বিষধর সাপ ঘুরে বেড়াচ্ছে ট্রেনের কামরায়। ছোট্ট নয়, ইয়া বড় সেই সাপ। বিষধর কালাচ সাপ দেখে আত্মারাম খাঁচাছাড়া যাত্রীদের। ট্রেনে যাত্রী সুরক্ষা কোথায়? ফের একবার সেই প্রশ্ন উঠল।
শনিবার রাতে কাটিহার থেকে কলকাতাগামী, কাটিহার – হাওড়া এক্সপ্রেসে দেখা যায় বিষধর সাপ। জানা গিয়েছে, এটি বিষধর কালাচ সাপ। ট্রেনের কামরার মধ্যে ওই বিষধর সাপটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
কাটিহার – হাওড়া এক্সপ্রেসের যাত্রীরা জানিয়েছেন, নন-এসি রিজার্ভ কামরায় একটি সাইড লোয়ার বার্থের তলায় ছিল সাপটি। আচমকাই সেটি বেরিয়ে আসে। যাত্রীরা দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কে সরে যান। এরপরে সাপটি ধীরে ধীরে ট্রেনের গেটের দিকে চলে যায়। দরজার পিছনেই লুকিয়ে পড়ে ওই বিষধর সাপ।
জানা গিয়েছে, রেলের কর্মীদের খবর দেওয়া হলেও, তারা যতক্ষণে আসেন, ততক্ষণে লুকিয়ে পড়ে বিষাক্ত সাপটি। অনেক খুঁজেও পাওয়া যায়নি। আজ সকালে হাওড়ায় কারশেডে এলে, তখন ট্রেন সাফাই করার সময় সাপটির খোঁজ করা হবে। অর্থাৎ গতকাল রাতে বিষাক্ত সাপের সঙ্গেই প্রাণ হাতে নিয়ে সফর করতে হয় যাত্রীদের।
ভারতীয় রেলের ট্রেনগুলিতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব কোন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে, তা এই ছবি প্রমাণ করছে। যাত্রীরা ইতিমধ্যেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে। রেলের কাছে এই ব্যাপারে অভিযোগও জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর।
প্রসঙ্গত, বর্ষাকালে এমনিতেই সাপের উপদ্রব বাড়ে। তার উপরে বর্তমানে বিহারের একটা বড় অংশই বন্যা কবলিত। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সাপের উপদ্রবও বাড়ছে। সেখানে রেল কর্তৃপক্ষের ট্রেনগুলিতে যাত্রী সুরক্ষায় নজরদারি এবং রক্ষণাবেক্ষণের বেশি প্রয়োজন। কিন্তু সেই পরিষেবায় ঘাটতির প্রমাণ মিলল হাতেনাতে।