কলকাতা: চলছিল নাটক। সেই সময় বেজে ওঠে আজানের সুর। এরপর ধুন্ধুমার। কার্যত রে রে করে তেড়ে আসার অভিযোগ উঠল কয়েকজন মাতব্বরের বিরুদ্ধে। আজানের আওয়াজ শুনে বাইরে থেকে ঢুকে পড়লেন মঞ্চে। আজান বন্ধ করতে বলতেই শুরু বিশৃঙ্খলা। পরে দর্শকদের প্রতিবাদে মঞ্চ ছাড়েন মাতব্বরা।
বদলের বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার বার্তা দিয়েছিলেন বাক স্বাধীনতার অধিকার সকলের আছে। ১৯ বছর পর এই কলকাতায় ফিরে আসেন তসলিমা নাসরিন। শুভেন্দু বলেছন, “নতুন সরকারের হাতে এই বাংলার গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত। কোনও ভাবে ধমক-চমক-আটকে দেব, দেখে নেব অতীত হয়ে গেছে।” মুখ্য়মন্ত্রীর এমন বার্তার পরও কেন এই ঘটনা?
এই নাটকের ডিরেক্টর স্বপন সেনগুপ্ত বলেন, “দু’চারজন নিচতলা থেকে চিৎকার করতে করতে বলে বন্ধ করুন। আমরা ওদের বোঝাই যে শুধু আজান নয়, মন্দিরের ঘণ্টাও আছে। আমরা শান্তির কথা বলি, রবীন্দ্রনাথের কথা বলি। আমার খুবই কষ্ট হয়েছে। এরপর দর্শক সোচ্চার ভাবে প্রতিবাদ করে।”
বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “পুরোটা জানি না। একদিকে কিছু অস্থিরতা কাজ করছে অন্যদিকে তাৎক্ষনিক মানসিকতা কাজ করছে। কোনও একটা ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া না দেওয়াই উচিত। একটা ঘটনার পর প্রেক্ষিত বোঝা উচিত। তারপর প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত। আমার মনে হয় সাংস্কৃতির ক্ষেত্রে আগ্রাসন মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছিল। থিয়েটারের বেশ কিছু দল আছে যাঁরা বামপন্থী দলগুলোর যে রাজনৈতিক মতামত তুলে ধরত। এটা দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কোনওটা চাপানো আর কোনটা স্বাভাবিক সেটা বাছাই মুশকিল হচ্ছে। সতর্ক থেকে প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত।”
কলকাতা: চলছিল নাটক। সেই সময় বেজে ওঠে আজানের সুর। এরপর ধুন্ধুমার। কার্যত রে রে করে তেড়ে আসার অভিযোগ উঠল কয়েকজন মাতব্বরের বিরুদ্ধে। আজানের আওয়াজ শুনে বাইরে থেকে ঢুকে পড়লেন মঞ্চে। আজান বন্ধ করতে বলতেই শুরু বিশৃঙ্খলা। পরে দর্শকদের প্রতিবাদে মঞ্চ ছাড়েন মাতব্বরা।
বদলের বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার বার্তা দিয়েছিলেন বাক স্বাধীনতার অধিকার সকলের আছে। ১৯ বছর পর এই কলকাতায় ফিরে আসেন তসলিমা নাসরিন। শুভেন্দু বলেছন, “নতুন সরকারের হাতে এই বাংলার গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত। কোনও ভাবে ধমক-চমক-আটকে দেব, দেখে নেব অতীত হয়ে গেছে।” মুখ্য়মন্ত্রীর এমন বার্তার পরও কেন এই ঘটনা?
এই নাটকের ডিরেক্টর স্বপন সেনগুপ্ত বলেন, “দু’চারজন নিচতলা থেকে চিৎকার করতে করতে বলে বন্ধ করুন। আমরা ওদের বোঝাই যে শুধু আজান নয়, মন্দিরের ঘণ্টাও আছে। আমরা শান্তির কথা বলি, রবীন্দ্রনাথের কথা বলি। আমার খুবই কষ্ট হয়েছে। এরপর দর্শক সোচ্চার ভাবে প্রতিবাদ করে।”
বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “পুরোটা জানি না। একদিকে কিছু অস্থিরতা কাজ করছে অন্যদিকে তাৎক্ষনিক মানসিকতা কাজ করছে। কোনও একটা ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া না দেওয়াই উচিত। একটা ঘটনার পর প্রেক্ষিত বোঝা উচিত। তারপর প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত। আমার মনে হয় সাংস্কৃতির ক্ষেত্রে আগ্রাসন মানসিকতা তৈরি করে দিয়েছিল। থিয়েটারের বেশ কিছু দল আছে যাঁরা বামপন্থী দলগুলোর যে রাজনৈতিক মতামত তুলে ধরত। এটা দুর্ভাগ্যজনক। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কোনওটা চাপানো আর কোনটা স্বাভাবিক সেটা বাছাই মুশকিল হচ্ছে। সতর্ক থেকে প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত।”