
কলকাতা: হঠাৎই আজ ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে লুকোচুরি খেলার পর নিজেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সামনে হাজির বালিগঞ্জের এই ‘ত্রাস’। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের অবশেষে গ্রেফতার হলেন তিনি। প্রায় ছ’বার হাজিরা এড়িয়েছিলেন এই অভিযুক্ত। যদিও, সোমবার সকালে তিনি দাবি করেছিলেন কোনও দোষ করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত তোলাবাজির একটাও অভিযোগ থানায় দায়ের হয়নি বলে মন্তব্য করেছিলেন। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে।
শুরু কোথা থেকে?
সোনা পাপ্পু খবরে আসেন গত ১ ফেব্রুয়ারি। এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড। সেই সময় গুলিও চলেছিল বলে দাবি করেন এলাকার বাসিন্দারা। ঠিক সেই সময়ই নাম উঠে আসে বিশ্বজিতের। কিন্তু তাঁর টিকিটুকুও খুঁজে পায়নি পুলিশ। অথচ মাঝে মধ্যে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বক্তব্য রাখছিলেন এই অভিযুক্ত।
বস্তুত, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে নাম জড়ায় প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমার সহ একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে এই পাপ্পুর ছবি সামনে এসেছিল। কিন্তু কিছুতেই খোঁজ মিলছিল না তাঁর।জমি দখল, বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ উঠে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। তদন্তে নামে ইডি। তবে, পাপ্পুকে না পেলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ ব্য়বসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। এরপর গ্রেফতার হয় কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসকে। এই পুলিশকর্তার সঙ্গেও সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে অভিযোগ। আর তারপর আজ হঠাৎ ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন পাপ্পু।