
কলকাতা: দক্ষিণ কলকাতার এক নামকরা স্কুলে শৌচাগারে গিয়ে সাপের ছোবল খেল তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ, ঘটনার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে নিজেদের চিকিৎসালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয় এবং ছাত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। বাড়ি ফেরার পর অভিভাবকরা পায়ে কামড়ের দাগ দেখতে পেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
তড়িঘড়ি তাকে আনন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, সাপটি নির্বিষ ছিল এবং শিশুটি আপাতত বিপন্মুক্ত। বর্তমানে সে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছে। জানা গিয়েছে, সাপটি লম্বায় প্রায় দেড় ফুট এবং গায়ের রঙ সাদার ওপর হলুদ ছোপযুক্ত ছিল। চিকিৎসকরা আশ্বস্ত করলেও আতঙ্কিত ছাত্রীর পরিবার। স্কুলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা।
শহরের এক অভিজাত স্কুলের শৌচাগারের ভেতরে কীভাবে সাপ এল, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। তবে এ বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
স্কুলের ক্যাম্পাস বিরাট বড়। ভিতরে রয়েছে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। এক্কেবারে ঝা চকচকে ক্যাম্পাস। কিন্তু তারপরও সেখানে সাপ ঢুকল কীভাবে? আসলে এতো বড় স্কুলের বাইরেই রয়েছে জলাশয়। সেখানে একাধিকবার সাপ দেখতে পেয়েছে পড়ুয়ারা। তেমনটাই জানাচ্ছেন। কিন্তু তারপরও কেন স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।