
কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নয়া কমিটিতে জায়গা পেলেন চার সদস্য। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে সেই চার সদস্যের পরিচয় জানালেন এসএসসি-র চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা। সেই তালিকায় থাকা চারজনের মধ্যে তিনজনই ‘স্বামীজি’। রয়েছেন ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের এক অধ্যাপক।
পূর্বতন সরকারের আমলে এসএসসি নিয়ে বিপুল বিতর্ক হয়েছে। চেয়ারম্যান থেকে সদস্য, অনেকের বিরুদ্ধেই বেনিয়মে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। জেলে গিয়েছেন এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা। ক্ষমতায় আসার পর সেই এসএসসি-র খোলনলচে বদলে ফেলছে বিজেপি সরকার।
১. রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ এডুকেশনাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রো চান্সেলর ও সেক্রেটারি স্বামী আত্মপ্রিয়ানন্দ।
মাদ্রাজ ইউনিভার্সিটি থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি করেন স্বামী আত্মপ্রিয়ানন্দ। তাঁর পার্টিকল থিয়োরি সংক্রান্ত গবেষণাপত্র দেশের বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ১৯৭৮ সালে তিনি রামকৃষ্ণ মিশনে যোগ দেন। বেলুড় মঠের অধীন রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির কলেজে ২৫ বছর ধরে ফিজিক্স পড়িয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে অধ্যক্ষও হন তিনি। ২০০৫ সালে রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হন।
২. নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সেক্রেটারি স্বামী শাস্ত্রজ্ঞানানন্দ।
রামকৃষ্ণ মিশনের অন্যতম সন্ন্যাসী শাস্ত্রজ্ঞানানন্দ। বেলুড়ের অধীন নরেন্দ্রপুর রামকষ্ণ মিশনের পদের পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশন সারদাপীঠের দায়িত্বেও থেকেছেন তিনি।
৩. বেলুড় মঠের ট্রাস্টি তথা,গোলপার্কের রামকৃষ্ণ মিশন ইন্সটিটউট অব কালচারের সেক্রেটারি স্বামী তত্ত্বসরানন্দ।
দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা আছে তাঁরা। জানা যাচ্ছে, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও এডুকেশনে এমএ করেছেন তিনি। এডুকেশনে পিএইচটি স্বামী তত্ত্বসরানন্দ।
৪. আইআইএম কলকাতার স্ট্র্যাটেজিক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক রাম্যা তারকড ভেঙ্কটেশ্বরা।
কালিকটের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক হন তিনি। পরে আইআইএম, বেঙ্গালুরু থেকে পোস্ট গ্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও ফেলো প্রোগাম ম্যানেজমেন্ট (পিএইচডি-র সমতুল্য) করেন তিনি। একাধিক পুরস্কার ও সম্মানও পেয়েছেন তিনি।