SSC Tainted Teachers Salary Return: সরকারের ঘরে ঢুকবে কয়েক কোটি টাকা! এক-এক জন অযোগ্যের মাথায় ক’লক্ষের দেনা জানেন?

Tainted SSC candidates: প্রার্থীদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরে সেই রায় বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারচুপি করে যারা চাকরি পেয়েছিলেন, এখন তাদের থেকে পুরো বেতন সুদে-আসলে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের এক-একজনকে কত টাকা ফেরত দিতে হবে জানেন? 

SSC Tainted Teachers Salary Return: সরকারের ঘরে ঢুকবে কয়েক কোটি টাকা!  এক-এক জন অযোগ্যের মাথায় কলক্ষের দেনা জানেন?
চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন (ফাইল ছবি)Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

May 13, 2026 | 1:34 PM

কলকাতা: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির দায়ে চাকরি হারানো ‘অযোগ্য’ বা ‘টেন্টেড’ (tainted) প্রার্থীদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পরে সেই রায় বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগ। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কারচুপি করে যারা চাকরি পেয়েছিলেন, এখন তাদের থেকে পুরো বেতন সুদে-আসলে ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। কিন্তু তাঁদের এক-একজনকে কত টাকা ফেরত দিতে হবে জানেন?

অযোগ্যদের পরিসংখ্যান ও আর্থিক দায়

মোট অযোগ্য: ৫২৫০ জন।

শিক্ষক: ১৮০৬ জন।

শিক্ষাকর্মী: ৩৪৫৩ জন।

দেনার পরিমাণ: গড়ে প্রত্যেকের মাথায় প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা করে দেনা রয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে যে, এই ব্যক্তিরা প্রধানত তিনটি বেআইনি উপায়ে চাকরি পেয়েছিলেন।  ওএমআর (OMR) শিটে সাদা খাতা জমা দিয়েও নম্বর পেয়েছিলেন তাঁরা। মেধাতালিকায় পেছনে থেকেও নিয়োগ। অর্থাৎ র‌্যাঙ্ক জাম্প।  মূল প্যানেলে নাম না থাকা সত্ত্বেও নিয়োগপত্র লাভ। অর্থাৎ সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরি করে নিয়োগ।

 টাকা আদায়ের পদ্ধতি ও আইনি পদক্ষেপ

সরকার এই অর্থ উদ্ধারে ‘বেঙ্গল পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট’ (Bengal Public Demand Recovery Act) প্রয়োগ করতে চলেছে।

জেলাশাসকদের ভূমিকা: জেলাশাসকদের সরাসরি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া তদারকি করার জন্য।

সুদের হার: গৃহীত বেতনের ওপর বার্ষিক ১২ শতাংশ হারে সুদ ধার্য করা হচ্ছে, যা আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

যদি কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন বা গড়িমসি করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হবে।

Follow Us