Sumit Roy: হঠাৎই ইউটার্ন অভিষেকের আপ্ত সহায়কের! এবার বললেন কার নাম?

Sumit Roy U-turn: শালবনিতে সরকারি খাসজমি ভুয়ো নথির মাধ্যমে দখল ও বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সুমিত রায়, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শনিবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়।

Sumit Roy: হঠাৎই ইউটার্ন অভিষেকের আপ্ত সহায়কের! এবার বললেন কার নাম?
সুমিত রায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়কImage Credit source: PTI

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Sep 21, 2026 | 12:16 AM

কলকাতা: স্বীকারোক্তির একদিনের মধ্যেই ইউটার্ন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের।  সিআইডির কাছে জেরায় দেওয়া তথ্যের থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক। আইনজীবীর কাছে সুমিতের দাবি, অভিষেক নয় অরূপ বিশ্বাসের নির্দেশেই তিনি দলের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, শালবনিতে সরকারি খাসজমি ভুয়ো নথির মাধ্যমে দখল ও বিক্রির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় সুমিত রায়, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। শনিবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় সুমিত জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ‘টি. ঘোষ’ নামে এক ব্যক্তি তাঁকে ওই টাকা দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তিকে সাংসদের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে দাবি করেছে সিআইডি।

২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই রবিবার সুমিতের সঙ্গে দেখা করার পর সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলেন তাঁর আইনজীবী। তাঁর দাবি, সুমিত তাঁকে জানিয়েছেন, অভিষেকের নাম তিনি বলেননি, বরং বলেছেন অরূপ বিশ্বাসের নাম। কারণ দলের সংবিধান অনুযায়ী, দলের কোষাগার দেখতেন অরূপ। সিআইডি দাবি করছে, সুমিত অভিষেকের নাম বলেছেন। অথচ তাঁর আইনজীবী বলছেন, সুমিত অরূপ বিশ্বাসের নামই বলেছেন।

আইনজীবী অগ্নিশ বসু বলেন, “আমি সুমিত দাকে জিজ্ঞাসা করেছি, তুমি সিআইডি-র প্রশ্নে কী বলেছিলে? ওনার বক্তব্য খুবই সহজ। দলের যা ফিনান্সিয়াল বিষয় রয়েছে, সেটা পার্টির ট্রেজারার দেখে। ২০২০ সালের পর থেকে তাতে অরূপ বিশ্বাস ছিলেন। এটা দলের সংবিধানেই লেখা রয়েছে। ট্রেজারার যেভাবে নির্দেশ দিতেন, তিনি সেভাবে টাকা দিতেন। ”

প্রসঙ্গত, শালবনি জমি-কাণ্ডে এর আগে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরার বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে সিআইডি। সেই চার্জশিটেই তৃণমূলের যুব সংগঠনের অ্যাকাউন্টে সুমিতের মাধ্যমে প্রায় ৭ কোটি টাকা জমার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছিল। এই টাকা কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, “দুটোকেই জেলে ভরা হোক। সুমিত রায় তো দলের কোনও লোক ছিলেন না। অভিষেকের পেয়ড ওয়ার্কার। তাঁর অফিসে চাকরি করেন। তাঁর কীভাবে ক্ষমতা হবে, অরূপ বিশ্বাসকে টাকা দেবেন? যদি দিয়ে থাকেন, সেটাও অভিষেকের নির্দেশেই দিয়েছেন।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us