Suvendu on Meera Bhattacharya: হাসপাতালের বেডে বুদ্ধ-জায়া, দেখতে এসে আনন্দাশ্রু মুখ্যমন্ত্রীর, কেন?

Meera Bhattacharya: বস্তুত, পেটে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মীরা ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, গত ৫ দিন ধরে পেটে যন্ত্রণা হচ্ছিল মীরা ভট্টাচার্যর। এদিন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে ভর্তি হন তিনি। পেটের সিটি স্ক্যানে কিছু মেলেনি।

Suvendu on Meera Bhattacharya: হাসপাতালের বেডে বুদ্ধ-জায়া, দেখতে এসে আনন্দাশ্রু মুখ্যমন্ত্রীর, কেন?
মীরা ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে শুভেন্দু অধিকারী Image Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Aug 22, 2026 | 9:07 PM

কলকাতা: শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যকে শুক্রবার থেকে হাসপাতালে ভর্তি। আলিপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। তাঁকেই শনিবার সন্ধে দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আপাতত, স্থীতিশীল আছেন মীরা। আর তিনি সুস্থ রয়েছেন শুনে মুখ্যমন্ত্রীর চোখে আনন্দাশ্রু। হাত জোর করে মীরার থেকে  আর্শীবাদও নিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও মীরা ভট্টাচার্যের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় শুভেন্দু অধিকারীর। পালা বদলের পর শুভেন্দু সরকারের উপর আস্থা রেখেছিলেন মীরা। বলেছিলেন, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্বপ্নপূরণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী।” একটা সময় রাজ্যে শিল্প আনতে চেয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যত সুরক্ষার জন্য শিল্প কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝেছিলেন তিনি। পালা বদলের পর ডানকুনি, বাঁকুড়ার মতো জায়গায় নয়া নয়া শিল্পের সূচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে মেজিয়ায় শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপিত হয়েছে। এই সবটাই শুনেছেন বুদ্ধ-জায়া। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর আস্থা রেখেছেন তিনি।

অপরদিকে, বুদ্ধ ভট্টাচার্যের মৃত্যুর পর সব রকম নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে একদম সাদা-মাটা জীবন কাটাচ্ছিলেন মীরা ভট্টাচার্য। তবে, ক্ষমতার বদল হতেই সেই নিরাপত্তা ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান রাজ্য সরকার। মীরা সেই সময় বলেছিলেন, “বুদ্ধবাবুর মৃত্যুর পরই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। এখন অবশ্য আমার নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তবে নতুন মুখ্যমন্ত্রী যদি আমার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য।”

সেই মীরা ভট্টাচার্যই অসুস্থ। তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু দেখা করে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তারপর চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। মুখ্যমন্ত্রী কিছু না বললেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়,মীরা দেবীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আর তা শুনেই আনন্দে কার্যত চোখে জল শুভেন্দুর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, রাজ্যের জন্য যেন ভালো কাজ করতে পারেন, সেই বিষয়ে আর্শীবাদ প্রার্থনা করেছেন। হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মীরা ভট্টাচার্যের পরিচয় বহু দিনের। তিনি ভালো আছেন দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন, আনন্দাশ্রু।”

বস্তুত, পেটে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টজনিত কারণে মীরা ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা গিয়েছে, গত ৫ দিন ধরে পেটে যন্ত্রণা হচ্ছিল মীরা ভট্টাচার্যর। এদিন চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে ভর্তি হন তিনি। পেটের সিটি স্ক্যানে কিছু মেলেনি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us