India-Bangladesh Border: শুধু হোল্ডিং সেন্টার নয়, লুকিয়ে-লুকিয়ে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশি রুখতে আরও বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের

BSF News: তবে বর্তমান সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই অচলাবস্থা কাটানোর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে মোট ৬০০ একর জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

India-Bangladesh Border: শুধু হোল্ডিং সেন্টার নয়, লুকিয়ে-লুকিয়ে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশি রুখতে আরও বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর সরকারের
শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: PTI

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

May 28, 2026 | 6:53 AM

কলকাতা: ট্রিপল ডি (D), অর্থাৎ ডেডেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট! আপাতত বাংলাজুড়ে শুরু হয়েছে তারই ব্যবস্থা। বেআইনিভাবে ভারতে ঢুকে পড়া বাংলাদেশিদের উদ্দেশে কড়া পদক্ষেপ করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার (holding centre)। ফলে নিজেদের দেশে ফিরে যেতে হিড়িক বেড়েছে অবৈধ ভাবে আসা বাংলাদেশিদের। এই আবহের মধ্যে ফের একবার বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু অধিকারীর। আন্তর্জাতিক সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও নিবিড় ও নিশ্ছিদ্র করতে বড়সড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার (West bengal Goverment)। প্রথমবারের পর ফের একবার নতুন পর্যায়ে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-কে জমি হস্তান্তর করল নবান্ন। এর ফলে এখনও পর্যন্ত বিএসএফ-কে হস্তান্তরিত মোট জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল ১৪২.৭৯ একর। এই জমিতে মূলত বিএসএফ-এর নতুন আউটপোস্ট (BOP) এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে, যা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকাকে আরও সুরক্ষিত করে তুলবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

নবান্ন সূত্রে প্রাপ্ত জেলা ভিত্তিক হস্তান্তরিত জমি ঠিক কত? 

জলপাইগুড়ি জেলায়- ৩৫.১৬৫  একর জমি
মুর্শিদাবাদ জেলায় ৩৮.৮০৫ একর জমি

কোচবিহার জেলায় ২২.৯৫ একর জমি
দক্ষিণ দিনাজপুর ২০.১৭০১ একর জমি
মালদহ জেলায় ১০.৯০ একর জমি
দার্জিলিং জেলায় ৮.৮১৫ একর জমি
উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২.৮৪ একর জমি
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ২.৬ একর জমি
নদিয়ায় ০.৫৫ একর জমি

উল্লেখ্য, অতীতে বিভিন্ন সময়ে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া বা আউটপোস্ট তৈরির ক্ষেত্রে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে নানা প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় এ রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল সরকার। জমি জট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ের কারণে বেশ কিছু জায়গায় সীমান্ত সুরক্ষার কাজ থমকে ছিল।

তবে বর্তমান সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই এই অচলাবস্থা কাটানোর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে মোট ৬০০ একর জমি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই ডেডলাইনকে সামনে রেখেই রাজ্য প্রশাসন অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে। এই দফায় ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর সেই লক্ষ্য পূরণের পথেই আরও এক ধাপ এগলো।  এর ফলে অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত সংলগ্ন চোরাচালান সম্পূর্ণ রুখে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Follow Us