
কলকাতা: ঘণ্টা তিনেকেরও বেশি পেরিয়ে গিয়েছে। উদ্ধারকাজ চলছে জোরকদমে। কিন্তু এখনও উদ্ধারকাজ প্রায় প্রাথমিক পর্যায়েই। মাঝপথেও তা পৌঁছয়নি। কারণ সেখানে বড় বড় লোহার বিমের নীচে চাপা পড়েছে দেহ। উদ্ধার কাজে সেনা NDRF এর টিম। খুঁজতে ওড়ানো হচ্ছে ড্রোন। উদ্ধারের প্রতিবদ্ধতা ভেঙে পড়া লোহার বিম পুড়ো দুমড়ে মুছড়ে গিয়েছে। ভার্টিকাল ড্রিলিং করে কাটা হচ্ছে বিম। ভিতর থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে থেঁতলে যাওয়া শরীর।
নির্মীয়মাণ গুদাম থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করা গিয়েছে ১৩ জনকে। তাঁদের গুরুতর জখম অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, ইন্দ্রনীল খাঁ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লোহার বিমে লেগে আছে রক্তমাংস। একাধিক ক্রেন আনা হয়েছে। ৫০ টন পর্যন্ত ওজন তুলতে পারে, এমন হাইড্রোলিক ক্রেনও ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভেঙে পড়া কাঠামোর পিছন দিকে একটি জায়গা দিয়ে প্রথমে মাটি কেটে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।
জানা যাচ্ছে, কয়েক হাজার বর্গফুটের ওপর তৈরি হচ্ছিল গোডাউনটি। এই জমিটি পোর্ট ট্রাস্টের জমি। তার থেকে লিজ নিয়েছিলেন আলিপুরদুয়ারের একটি চা ব্যবসায়ী। তিনি সেখানে গোডাউন বানাচ্ছিলেন। এই এলাকাটি ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। কাউন্সিলর আনোয়ার খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন স্থানীয়রা। কারণ নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে গোডাউনটি তৈরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তিনি এলাকা যেতেই তাঁকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়া হয়। অভিযুক্ত কাউন্সিলর ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ বলে জানা যাচ্ছে।