
কলকাতা: দিতেই হবে পরীক্ষা। নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সময়ও বেঁধে দিয়েছে। এবার শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশকে কার্যকর করতে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। যেসব কর্মরত শিক্ষক TET দেননি, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে তাঁদের জন্য TET-র আয়োজন করতে স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিল রাজ্য। কর্মরত শিক্ষকদের TET নিতে হবে জানিয়ে এসএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে চিঠি দিল শিক্ষা দফতর।
শুক্রবার বিকাশ ভবন থেকে এসএসসির চেয়ারম্যান ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে চিঠি লেখা হয়েছে। শিক্ষা দফতর লিখেছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই এই পরীক্ষা নিতে হবে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালে শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইন কার্যকর হওয়ার আগে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন এবং এখনও ৫ বছরের বেশি চাকরি করবেন, তাঁদের TET দিতে হবে। ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছিল। TET পাশ না করলে তাঁদের চাকরি থাকবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।
২ বছরের মধ্যে TET পাশ করতে হবে বলে শীর্ষ আদালত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এরপর আবেদনের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ২৯ মে নির্দেশে কিছুটা সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্ট। নতুন নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানায়, কর্মরত শিক্ষকদের ৩ বছরের মধ্যে TET পাশ করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উল্লেখ করে চিঠিতে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, কর্মরত শিক্ষকদের ২০২৮ সালের ৩১ অগস্ট কিংবা তার আগে TET পাশ করতে হবে।
এরপরই চিঠি এসএসসি ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, বছরে দু’বার TET নেওয়া যাবে। ৬ মাস অন্তর পরীক্ষা দেওয়া যাবে। কর্মরত শিক্ষকরা যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা দিতে পারেন, তার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। একইসঙ্গে শিক্ষা দফতর উল্লেখ করেছে, TET নিয়ে আর কোনও সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন গ্রহণ করা হবে না বলে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে।