
কলকাতা: পূর্বতন সরকারের আমলে তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেটরাজের অভিযোগ কম নেই। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি চাঁদার জুলুমে অতিষ্ঠ হয়ে যেত সাধারণ জনতা। এমনকী এইসবের জন্য প্রচুর খুনের অভিযোগ এসেছিল। তবে পালাবদলের পর অনেক কিছুতেই বদল এসেছে। আর এবার ‘চাঁদাবাজি’-‘তোলাবাজির’ বন্ধে নয়া আইন আনছে রাজ্য সরকার। সোমবার বাজেট থেকে এমনই বড় ঘোষণা শুভেন্দু-সরকারের (Suvendu Adhikari)।
তৃণমূল আমলে অভিযোগ আসত বাংলায় ব্যবসা করতে হলে টাকা দিতে হবে দলের কর্মীদের। কেউ ছোট দোকান খুলেছেন, কেউ বাড়ি কিনছেন, কেউ বা জমি কিনেছেন-যে যাই কিনতেন সব জায়গা থেকে তোলার টাকা চাওয়ার অভিযোগ আসত। এমনকী, ব্যবসার ক্ষেত্রেও সিন্ডিকেট-রাজের অভিযোগ আসত। এরপর কোনও উৎসব কিংবা পুজো থাকলে আর তো কথাই নেই। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদার জুলুমের খবর আসত আকছাড়। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছ থেকে ২ হাজার, ৪ হাজার, এমন গুচ্ছ-গুচ্ছ টাকা তোলার অভিযোগ আসত। আর সেই টাকা দিতে না পারলেও অত্যাচার করার অভিযোগ আসত। তবে আজ বিজেপি সরকার তাদের প্রথম বাজেট থেকেই বুঝিয়ে দিল এইসব আর বরদাস্ত করা হবে না।
এ দিন বাজেট পড়ার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, “হস্তক্ষেপ ও চাঁদাবাজি ব্যবসার ক্ষতি করছে। এইটা বন্ধ করার জন্য আইন আনছি আমরা।” মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কী বলেছিলেন? তিনি রাজ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ ও শিল্প আনতে গেলে আইন-শৃঙ্খলাকে সুদৃঢ় করা। তোলাবাজি, কাটমানি, সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে।