
কলকাতা: মঙ্গলবার একুশে জুলাই শেষ হতেই খবরে উঠে এলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বক্তা তালিকায় নাম নেই তাঁর। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও কথা কাটাকাটি। এই সমস্ত বিষয় নিয়ে জোর চর্চার মধ্যেই পরের দিন অর্থাৎ বুধবার সাংবাদিকদের সামনে ফের একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশ্ন ওঠে তবে কি এবার কল্যাণও মমতার সঙ্গ ছাড়বেন। সেই নিয়েই মুখ খুলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানিয়ে দেন তিনি কাগজে লিখে দিচ্ছেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও মমতার সঙ্গ ত্যাগ করবেন না।
পালা বদলের কুড়ি জন সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে NCPI-তে যোগদান করেছেন। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন সায়নী ঘোষ। যার দলবদলের পর কার্যত স্তম্ভিত হয়েছিলেন তৃণমূলের অপর সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, “আমি ভাবতে পারিনি সায়নী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছাড়বেন।” এরপর মদন মিত্রের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হয়েছিল। সম্প্রতি, মদন ঋতব্রতদের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। পরের দিনই কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থানের সময় হঠাৎ সেখানে চলে আসেন মদন মিত্র। তখনও কুণাল বলেছিলেন, “আমাদের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল।” তবে দেখা গেল একুশের জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে অভিষেক-মমতাকে বেলাগাম ভাষায় আক্রমণ করলেন মদন মিত্র। অভিষেককে সুপারি কিলার বলেও কটাক্ষ করেছেন। আর এবার কল্যাণকে দরাজ সার্টিফিকেট কুণালের।
এ দিন তিনি বলেন, “যাঁরা মমতাদি আর কল্যাণদার মধ্যে ঢুকতে চাইবে কোনও একটা দুটো সংলাপ নিয়ে… অকারণে ঢুকছেন। দু’দিন পর দেখবেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আছেন। একটা সাদা কাগজ দিন আমি সই করে দিচ্ছি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মমতাকে ছেড়ে যাবেন না।”