
আদি তৃণমূল ও নব তৃণমূল ব্লক গঠিত হয়েছে। বিরোধী দলনেতা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। এই নিয়ে আপাতত দলের অন্দরে বিতর্কের অন্ত নেই। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। তিনি লিখেছেন, “নিজের দলের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার পূর্ণ অধিকার আপনার আছে। আমিও তা করেছি। সেই অবস্থানকে সম্মান জানাতে হলে সাংসদ বা বিধায়ক পদ থেকেও সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ, আপনি দলের প্রতীক,নেতৃত্ব ও ব্যানারের অধীনে ভোটে লড়েছিলেন।” একই সঙ্গে নাম না করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়কেও খোঁচা তাঁর।
বাবুল আর কী কী লিখেছেন?
এ দিন, বাবুল মুখ খুলেছেন মমতার বিরুদ্ধে। তাঁরা দাবি সরকারি অর্থ তছরুপ করা হয়েছে এমন অভিযোগ শোনার পরই সুপ্রিমোর উচিত ছিল ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি লিখেছেন, “দিদি নিশ্চয়ই একটা বড় ভুল করেছিলেন। ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই যারা দুর্নীতি, সরকারি অর্থ তছরুপ বা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিয়ে। তাদের অনেকেই এখন ওই ‘৬০’-এর অংশ! বাকিদের কেউ ভোটে হেরেছে, কেউ জেলে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “তবে একজন মানুষ আমাকে সবচেয়ে বেশি অবাক করেছে! কখনও ভাবিনি, আমাদের চারপাশে একটা সাপ মানুষের ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।এখন শুধু আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টি বা BJP যেন অন্য অনেক রাজ্যের মতো তাদের দলে টেনে নেওয়ার ভুল না করে।” রাজনৈতিক মহলের ধারণা,দলের ভাল সময়ে কোনও দিন সেভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেননি। দল হারতেই সঙ্গে সঙ্গে এভাবে অন্দরে বিভাজন তৈরি নিয়ে সরব তিনি।
বাবুলের কথায়, “যুদ্ধ ও ভালবাসায় -‘সবই ন্যায্য বা ঠিক’। সেটা রাজনীতি ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রের রাজনীতিতেও প্রযোজ্য। রাজনৈতিক দলে থেকে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করা যায় না। তবুও আমি আগে করেছি, এটাকেও সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত হিসেবেই দেখা হোক।”