
কলকাতা: পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর অভিযোগ তৃণমূল কর্মীর। মৃত সেই কর্মীর বাড়িতে যেতে গিয়ে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। ছোড়া হয় জুতো, ওঠে চোর স্লোগান। মমতার সঙ্গে ছিলেন দোলা সেন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। পরে হালিশহর থেকে ফিরে আসার পর বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কল্যাণ। বললেন, “ওদের টার্গেট ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেরে ফেলা।”
কল্যাণ বলেন, “বিজেপির কর্মীরা যেভাবে বড় বড় পাথর মমতাদির গাড়িতে ছুড়েছে, আর সেটা ক্রমাগত করে গেছে। গাড়ির সামনে বাধা সৃষ্টি করেছে। যেভাবে গুণ্ডাগিরি করছে…এবং অশ্রাব্য গালিগালাজ। আমরা যখন যাচ্ছিলাম বাইরে থেকে হু হু করে লোক নিয়ে এসেছে। আমাদের ট্রাফিকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে। তারপর ওই সময় পুরো ভিড়টাকে ওরা জমায়েত করে। আর ফেরার সময় পুরো খালি। বড় বড় পাথ দিয়ে মেরেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করা ওদের উদ্দেশ্য ছিল। টার্গেট ছিল কীভাবে ওদের শেষ করে দেওয়া যায়। বড় বড় পাথর পড়েছে। যদি কাচ খোলা থাকত মাথার কোনও অংশ দেখতে পেতেন না।”
এ দিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আমাদের গাড়িতে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে। এত ইট মেরেছে কল্পনা করতে পারবেন না। এক ঘণ্টা গাড়ি আটকে রেখেছিল। বিজেপির লোক জোগাড় করে এই সব করানো হয়েছে। যিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি নিজে বাইরে রয়েছেন। পুরো গাড়িতে ইট মারতে মারতে গেছে।” তাঁর সংযোজন, “আমি বেরবোই। বিজেপি ভয় পায় আমায়। এই ভাবে আমায় আটকাতে পারবে না…ওরা ভয় পাচ্ছে কারণ ওদের মুখোশ খুলে যাবে।”