
নয়া দিল্লি: দিন বদলেছে তৃণমূলের। সেই দিন আর নেই। সেই ঠিকানাও আর রইল না। বাংলা ছাড়িয়ে গোয়া, ত্রিপুরার মতো রাজ্যেও তৃণমূল নিজেদের পরিধি বিস্তার করতে চেয়েছিল। সেই উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করতে সভা, মিছিল, প্রতিবাদ সবই করেছিল। কিন্তু সে সব আজ অতীত। ভাঙতে বসেছে ঘর। বিধানসভা থেকে সংসদ- মমতার হাত ছেড়েছেন সিংহভাগ বিধায়ক-সাংসদ। এই আবহে রাতারাতি ছাড়তে হল পার্টি অফিসও। দিল্লিতে এবার তৃণমূল গেল নতুন ঠিকানায়।
২০ রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে বৃহৎ পরিসরে নতুন পার্টি অফিস তৈরি করেছিল ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’। দিল্লিতে সেই দফতরেই হত দলের কাজকর্ম। রমরম করত নেতা-নেত্রী-সাংসদদের উপস্থিতিতে। কিন্তু সেই পার্টি অফিস ছিল সাংসদ পার্থ ভৌমিকের নামে। তাঁর সাংসদ বাংলো হিসেবে সংসদের রেকর্ডে নথিভুক্ত আছে সেই ঠিকানা। পার্থ ভৌমিক বিক্ষুব্ধ শিবিরে নাম লেখানোর পরই তৃণমূল বুঝে যায় নতুন বাড়ি ছাড়তে হবে।
রাতারাতি পার্থ ভৌমিকের নামে থাকা বাংলো থেকে জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে সাউথ এভিনিউর পুরনো পার্টি অফিসে। ৬৬, সাউথ ইভিনিউ নাদিমুল হকের সাংসদ বাংলো। দীর্ঘদিন যাবৎ এখানেই ছিল তৃণমূলের পার্টি অফিস। আবার পুরনো ঠিকানায় ফিরল তৃণমূল। উল্লেখ্য, আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছেন রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হক।