
কলকাতা: রাজ্যে উপনির্বাচনের আগে জোড়া ফুল প্রতীক কিংবা তৃণমূলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবিত হয় বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মতে, তৃণমূল দলটারই আর কোনও অস্তিত্ব নেই। তৃণমূলের সাম্প্রতিকতম পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শমীক বলেন, “এটা ওপরওয়ালার বিচার। সিঁদুর-আলতায় পদ্ম ফুলের ছবি থাকলে, সেটা বিক্রি করা যাবে না-এমনই ফতোয়া জারি করা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন জায়গায়।” তাঁর মতে, “এমনকি বারাকপুর জুড়েও। আর তৃণমূলের কোনও অস্তিত্ব নেই। তৃণমূলের প্রতীক এলো কি গেল, কারও যায় আসেনা। তৃণমূল মৃত, তৃণমূল ঋত।”
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তৃণমূল কংগ্রেস নাম ও জোড়া ফুল প্রতীকের আসল দাবিদার কে, তা নিয়ে কমিশনের দরবারে কম জলঘোলা হয়নি। বৃহস্পতিবার কমিশন তৃণমূলের প্রতীক-দ্বন্দ্বে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। কমিশনের তরফ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, আগামী ৬ অক্টোবর রাজ্যের দুই কেন্দ্র নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে বিধানসভার উপনির্বাচন রয়েছে। সব পক্ষই তার জন্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, আপাতত কোনও পক্ষকেই আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত তারা ব্যবহার করতে পারবে না। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কাল রাত সাড়ে এগারোটায় নতুন প্রস্তাবিত সিম্বল নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে । সকালে তিনি সাংবাদিক বৈঠক করবেন। তখন জানা যেতে পারে, কোন তিনটি প্রতীক কিংবা দলের কী নাম তিনি মনোনীত করেছেন।
সকালে ঋত শিবির তিনটি প্রতীক ও দলের দুটো নাম মনোনীত করে নির্বাচন কমিশনেই মেইল করেছে। জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস বা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস- যে কোনও একটি নামে লড়তে চান ঋতব্রতরা। প্রতীক হিসাবে আবেদন করা হয়েছে ‘খাম’, ‘টর্চ’ ও ব্ল্যাকবোর্ড।