
কলকাতা: একমাসের একটু বেশি সময় বাকি। তারপরই দুর্গাপুজো (২০২৬)। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম দুর্গাপুজো হবে। এর মধ্যেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দেওয়া বার্তায় শুরু হয়েছে চর্চা। পুজোয় আমিষ খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে তারা, এমনই গুঞ্জন শুরু হয়। তারপরই আবার মুখ খোলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। তাঁদের দাবি, প্রতিমার কাছে যেন আমিষ না খাওয়া হয়। বজায় রাখতে হবে স্বচ্ছতা।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মার্গ দর্শক নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী বলেন, “প্রচার হয়েছে আমরা থিমের বিরোধী ইত্যাদি। এটা একদমই নয়। আমরা আবহমানকাল ধরে সৃজনশীলতার পক্ষপাতী। তবে, জুতো দিয়ে যে সমস্ত প্যান্ডেল হচ্ছে, থিমের নামে আজান বাজানো হচ্ছে আর যে সমস্ত জায়গায় সনাতন সংস্কৃতি বিরোধী থিম তৈরি হচ্ছে. থিমের নামে মূর্তির নিজস্বতাকে বিক্রিত করা হচ্ছে, আধুনিকতার নামে এই পরিবর্তনের অধিকার কে দিয়েছে? আমরা এটাই তুলে ধরেছি সমাজের কাছে।” নির্গুণানন্দের কথায়, বিধবার মতো শাড়ি পরে দাঁড় করিয়ে দেওয়া যাবে না। অস্ত্র খুলে দুর্গার হাতে অন্য কিছু পরিয়ে দেওয়া যাবে না। আধুনিকতা থাকুক, কিন্তু দুর্গার দশপ্রহরণধারিণী রূপ যেন ক্ষুণ্ণ না হয়।
নির্গুণান্দ স্পষ্ট করে আরও বলেন, “কোনও আমিষ খাবারের বিরোধিতা বিশ্ব হিন্দু পরিষদ করেনি। সম্পূর্ণ রূপে ভ্রান্তভাবে ছড়ানো হয়েছে। আমাদের বক্তব্য, মন্দিরে যখন বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়ে যায় তখন সেটাকে দেবালয় বলে আমরা মানি। তাই এগরোল খেতে খেতে ঠাকুর দেখতে মণ্ডপে ঢুকে পড়ছে..এটা ঠিক নয়। আমরা বলেছি মণ্ডপের ভিতরে যেখানে বিগ্রহ রয়েছে সেখানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।”