
কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাজেটে অপেক্ষায় থাকে সব রাজ্য। কার ভাগ্যে কী জোটে! আর এবার পালাবদলের পর বিজেপি সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে সব জেলার ভাগ্যে জুটল কিছু না কিছু। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় যেমন প্রায় সব জেলার বিধায়কক জায়গা দেওয়া হয়েছে, তেমনই রাজ্য বাজেটে কোনও জেলা পেল সেতু, কেউ কলেজ, কেউ বাঁধ। আপনার জেলা কী পেল, দেখে নিন
উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সুন্দরবন এলাকায় ৬০ কিলোমিটার নদী বাঁধের পুনর্নিমাণ হবে। ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
সাগরদ্বীপে যাওয়ার জন্য মুড়িগঙ্গা সেতু নির্মাণ করার প্রস্তাব। ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে জমি অধিগ্রহণের জন্য।
ফলতাকে মডেল ব্লক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
সুন্দরবনের দ্বীপপুঞ্জে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে ১০০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ।
কুলপি সহ এই জেলার বেশ কয়েকটি বন্দরের উন্নয়ন, মৎস্যচাষে সহযোগিতার ঘোষণা।
পাটশিল্পের ক্লাস্টার তৈরি হবে।
কল্যাণীতে ১০০০ থেকে ১৫০০ একর জমি চিহ্নিত করা হচ্ছে নতুন গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর তৈরির জন্য।
মায়াপুরকে অনন্য পর্যটনক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করতে ১০০০ কোটি বরাদ্দ।
১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কালনা-শান্তিপুরের মধ্যে সংযোগকারী সেতু তৈরি হবে।
দুর্গাপুর-আসানসোল মেট্রো সংযোগ তৈরি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির প্রস্তাব।
দুর্গাপুর, আসানসোল, পানাগড় এলাকায় শিল্পোন্নয়নে সেমিকনডাক্টর ইউনিট স্থাপন হবে।
ডানকুনিকে মাল্টিমোডাল লজিস্টিক হাব হিসেবে তৈরি করার প্রস্তাব। ডানকুনি-সুরাট ফ্রেট করিডর বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডানকুনি জংশন ও মগরার মধ্যে একটি করিডর প্রকল্পের প্রস্তাব। থাকবে একাধিক ফ্লাইওভার, পার্কিং বে, সার্ভিস রোড।
৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চার লেনের সেতু তৈরি হবে। সেই সঙ্গে ময়ূরাক্ষী নদীর উপর আরও একটি সেতু তৈরির কথাও বলা হয়েছে বাজেটে।
বক্রেশ্বরে ২০০০ কোটি টাকা খরচে বিশেষ সোলার প্রজেক্ট। তৈরি হবে মেগা ফ্লোটিং সোলার ফোটোভোল্টায়িক প্রকল্প।
দাদনপাত্রবাড়ে পিপিপি মডেলে একটি গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি করার প্রস্তাব।
নন্দীগ্রাম ও হলদিয়ায় সব ঋতুতে ব্যবহার করার জন্য একটি সেতু নির্মাণ করা হবে। বরাদ্দ ১০০ কোটি।
ঘাটালের বন্যা পরিস্থিতি থেকে অব্যাহতি দিতে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির প্রস্তাব। বরাদ্দ ১২০০ কোটি টাকা।
ফুল-চাষিদের কথা মাথায় রেখে কোলাঘাটে ইন্টিগ্রেটেড ফ্লাওয়ার মার্কেট হাব তৈরির প্রস্তাব। বরাদ্দ ১০ কোটি।
ঝাড়গ্রামে আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। খরচ হবে ১৫০ কোটি টাকা। বর্তমান আর্থিক বছরে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
ঝাড়গ্রাম জেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় একটি সামগ্রিক প্রকল্প চালু করা হবে, যাতে ওই জেলায় জীবিকার মান উন্নয়ন হয়।
১৬০ একর জমির উপর তৈরি হবে টাইগার সাফারি।
তৈরি হবে নবোদয় স্কুল।
অযোধ্যা পাহাড়, মুরগুমা, খয়রাবেড়া, বরন্তী ও কয়েকটি পর্যটনস্থানকে যুক্ত করে ইন্টিগ্রেটেড টুরিজম সার্কিট তৈরি করা হবে।
উড়ান স্কিমে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।
আমচাষিদের আয় বাড়াতে ভ্যালু চেইন ব্যবস্থা চালু করা হবে। হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান, ইন্টিগ্রেটেড প্যাক হাউস তৈরি করা হবে। বরাদ্দ ৫০ কোটি।
উড়ান স্কিমে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।
জঙ্গিপুরে নদী ভাঙন, বন্যা, প্লাবনের ঝুঁকি কমাতে ও পুনর্বাসনের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বিড়ি শ্রমিকদের হাসপাতালের আধুনিকীকরণ করা হবে।
নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির প্রস্তাব।
বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে তৈরি হবে টেক্সটাইল পার্ক।
উড়ান স্কিমে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।
শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ির মধ্যে মেট্রো সংযোগ চালু করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।
নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির প্রস্তাব।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে প্রধানমন্ত্রী ধনধান্য কৃষি যোজনা চালু হবে এই জেলায়।
কোচবিহারের এয়ারপোর্ট সম্প্রসারণ করা হবে।
শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম ও ইন্ডোর স্টেডিাম তৈরি হবে।
চা বাগানের পরিকাঠামো উন্নয়নে শিলিগুড়িতে টি প্রসেসিং সেন্টার।
প্রাকৃতিক ঝরনা পুনরুজ্জীবনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বরাদ্দ ৫০ কোটি।
উত্তরবঙ্গে একটি এইমস হাসপাতাল ও একটি ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরি হবে। দার্জিলিং-এ তৈরি হবে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।
নতুন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির প্রস্তাব।
পাহাড়ি ঝরনা পুনরুজ্জীবনের প্রস্তাব বাজেটে। বরাদ্দ ৫০ কোটি।
এছাড়া- দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহ, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া জেলায় তৈরি হবে নবোদয় স্কুল। মহিলা কলেজ তৈরি হবে কাঁথি, কালিয়াচক, জঙ্গিপুর, সাগর, তুফানগঞ্জ, ফলতায়।