
কলকাতা: কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যে পৌর নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু, নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পর্যাপ্ত ইভিএম নেই। এই নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। জেলায় জেলায় স্ট্রং রুমে ইভিএম পড়ে রয়েছে। সেই ইভিএম-গুলি যাতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয়, সেই আবেদন জানানো হল হাইকোর্টে। চলতি সপ্তাহেই আবেদনের শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা।
রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে কলকাতা পৌরনিগমে বোর্ড গঠন করা হবে। কলকাতা পৌরনিগমে আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিলও পাশ হয়েছে। হাওড়া পৌরনিগমেও নির্বাচন বাকি। সেখানেও আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিল পাশ হয়েছে। আবার ২০২৭ সালে শুরুর দিকেই রাজ্যের পৌরসভাগুলিতে ভোট হওয়ার কথা। সবমিলিয়ে কয়েক মাসের মধ্যেই পৌর ভোট করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন সম্পন্ন করতে ইভিএমের অপ্রতুলতার কথা জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আবেদনের দ্রুত শুনানি চেয়ে এদিন হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী সোনাল সিনহা।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম আদালতের নির্দেশে জেলায় জেলায় স্ট্রং রুমে পড়ে রয়েছে। পৌর নির্বাচনের জন্য সেই ইভিএম-গুলি চাইছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ওই ইভিএম-গুলিতে পুনরায় ব্যবহার করার প্রযুক্তি রয়েছে। সেটাই করতে চাইছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এদিন হাইকোর্টে আইনজীবী সোনাল সিনহা আবেদন জানান, স্টং রুম থেকে ইভিএম-গুলোকে তুলে দেওয়া হোক রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে। জেলাশাসকদের এমনই নির্দেশ দিক কলকাতা হাইকোর্ট। এই আবেদনের দ্রুত শুনানি চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী সোনাল সিনহা। চলতি সপ্তাহে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আবেদনের শুনানির সম্ভাবনা। হাইকোর্ট ওই আবেদন নিয়ে কী নির্দেশ দেয়, সেটাই এখন দেখার।