
কলকাতা: রাজ্যের বিভিন্ন রেস্তরাঁ, দোকানগুলিতে অভিযান চালাচ্ছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর। আর তাতেই উঠে আসছে বিস্তর বেনিয়মের অভিযোগ। কোথাও মিলছে পচা মাংস, কোথাও মিলেছে ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী। এই আবহে পচা খাবার ও জলে ভেজাল রুখতে কড়া পদক্ষেপ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ১৩টি ফুড প্রসেসিং ইউনিটের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ৫টি নামী রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড বা বাতিল করা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মোট ১৭৩০টি ফুড সেন্টারে অভিযান চালানো হয়েছে। তার মধ্যে অন্তত ১৫২৫টি-তে অনিয়ম ধরা পড়েছে। সবথেকে বেসি অনিয়ম ধরা পড়েছে ডায়মন্ডহারবারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৫টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে, মধ্যমগ্রামের রঙ দে বসন্তি ধাবা, সেক্টর ফাইভের আরডিবি মলের ‘অ্যাবসিলিউট বারবিকিউ নেশন’, মধ্যমগ্রামের জাস্ট বাঙালি, সোদপুরের ‘বারবিকিউ নেশন, সেক্টর থ্রি-র ‘চৌরাসিয়া চাটস’। ১৩টি ফুড প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি জলের কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সময় দেওয়া হয়েছে ঠিক করে নেওয়ার। এরকম নয় যে গেলাম আর ঝাঁপ বন্ধ করে দিলাম। সবাই ব্যবসা করছে। অনেক লোকের রুটি-রুজি চলে। অনেকের উনুন এই ব্যবসার জন্যই চলে।” কোন জেলায় কী পরিস্থিতি তারও রিপোর্ট দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২১৫টি দোকান, উত্তর ২৪ পরগনায় ১২৮, পূর্ব বর্ধমানে ১২৯টি, কলকাতায় ৯৬টি,পশ্চিম বর্ধমানে ৬৫টি, নদিয়ায় ৬০টি ,পশ্চিম মেদিনীপুরে ৫১টি দোকান, কোচবিহারে ৮৩টি, বসিরহাটে ৭৭টি দোকানে অনিয়ম ধরা পড়েছে।