
বিশ্বকর্মা পুজোর দিন নতুন কন্ট্রোল রুম উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরক্ষা ভবনে সূচিত হল এই নতুন লাইভ কন্ট্রোল রুম। তিনি ঘোষণা করেন, ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হচ্ছে। এবার থেকে যানজট মোকাবিলায় লাইভ কন্ট্রোল রুম কাজ করবে। ইচ্ছাকৃত যানজট দেখলে ১৮০০৩৪৫৮৯২২ নম্বরে জানাতে হবে। কেন ট্রাফিকের চাপ, তা খতিয়ে দেখা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাস্তার ৬০ শতাংশ অংশে গাড়ি পার্ক করা হচ্ছে। আগের সরকার পুলিশকে টাকা তুলতে বাধ্য করেছিল। আমরা এসব বন্ধ করে দিয়েছি।” তিনি বলেন, “পাহাড়ে যানজট নিয়েও আমি চিন্তিত। কিন্তু পাহাড়ে পার্কিংয়ের জন্য জমি দেখতে বলেছি। “
উপনির্বাচনে জোট বাঁধতে চেয়েও কংগ্রেসের তরফে সাড়া পাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে জোড়াফুল প্রতীক হারানোর পর সে সব ভুলে মমতার পাশে দাঁড়ালেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। লড়াইটা যে মমতার একার নয়, সে কথা লিখলেন দ্ব্যর্থহীন ভাষায়। রাহুলকে ধন্যবাদ জানিয়েছে কালীঘাট-শিবির। শুধু রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেস নয়, প্রতীক-হারা মমতার পাশে দাঁড়াচ্ছে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও।
বিস্তারিত পড়ুন: ‘লড়াই মমতার একার নয়’, সব মন কষাকষি ভুলে পাশে রাহুল
বিকল্প নাম ও প্রতীকের আবেদন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে মেইল করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। জাতীয়তাবাদী তৃণমূল কংগ্রেস বা গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস- যে কোনও একটি নামে লড়তে চান ঋতব্রতরা। প্রতীক হিসাবে আবেদন করা হয়েছে ‘খাম’, ‘টর্চ’ ও ব্ল্যাকবোর্ড। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুক্রবার সকালেই সাংবাদিক বৈঠক করতে চলেছেন। সেখানে জানা যেতে পারে, তিনি কী নাম ঠিক করলেন কিংবা প্রতীক হিসাবেও কী কী প্রস্তাব দিয়েছেন।
কলকাতা: গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তৃণমূল কংগ্রেস নাম ও জোড়া ফুল প্রতীকের আসল দাবিদার কে, তা নিয়ে কমিশনের দরবারে কম জলঘোলা হয়নি। বৃহস্পতিবার কমিশন তৃণমূলের প্রতীক-দ্বন্দ্বে অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, আপাতত কোনও পক্ষকেই আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না। ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও আপাতত তারা ব্যবহার করতে পারবে না। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আলোচনা চলছে আইনজীবীদের সঙ্গে। মামলার দায়েরের তত্ত্বাবধান করছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত মহুয়া মৈত্র।