
কলকাতা: ১৭০ বছরের প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। বাংলার অন্যতম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। শিবপুরের সেই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (IIEST) কি এবার আইআইটি হবে? এই নিয়ে পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার।আইআইইএসটি-কে আইআইটি করতে চায় শুভেন্দু-সরকার। তার জন্য কেন্দ্রের কাছে জমা পড়তে চলেছে প্রস্তাব।
ভারতে এখন আইআইটি রয়েছে ২৩টি। দেশের সবচেয়ে পুরনো আইআইটি এই বাংলাতেই রয়েছে। আইআইটি খড়্গপুর। ১৯৫১ সালে আইআইটি খড়্গপুর পথচলা শুরু করে। বাংলাতে এই একটিই আইআই রয়েছে। এবার শিবপুরের আইআইইএসটি-কেও যাতে আইআইটি-তে উন্নীত করা হয়, সেই নিয়ে কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে রাজ্য সরকার।
১৮৫৬ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার সময় নাম ছিল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। ১৯২১ সালে কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হল বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। ২০০৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে এসকে জোশি কমিটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলি খতিয়ে দেখেন। কোন কোনও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে IIT-তে উত্তীর্ণ করা যায়, সেই তালিকা এই কমিটির কাছে চেয়েছিল কেন্দ্র। দেশের ৭টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে আইআইটি-তে উত্তীর্ণ করার সুপারিশ করেছিল এস কে জোশি কমিটি। তার মধ্যে ছিল বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।
২০০৬ সালে আইআইটি কানপুরের চেয়ারম্যান এম আনন্দকৃষ্ণণের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটিকে ওই সাতটি কলেজের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে পাঠানো হয়। ২০১০ সালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আনন্দকৃষ্ণণ কমিটির সুপারিশ মেনে শিবপুরের এই বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটিকে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৪ সালের মার্চে এই প্রতিষ্ঠান INI (ইনস্টিটিউটস অব ন্যাশনাল ইম্পর্ট্যান্স) স্ট্যাটাস পায়। নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। শিবপুরের IIEST-কে এবার আরও একধাপ এগিয়ে আইআইটি করতে চায় রাজ্য সরকার।
IIM কলকাতা কেন্দ্রের কাছ থেকে ৫০০ কোটি টাকা পেতে চলেছে। এতদিন কলকাতা পৌরনিগমের ছাড়পত্র (NOC) না পাওয়ায় ওই টাকা আটকে ছিল। বিগত সরকার সেই ছাড়পত্র আটকে রেখেছিল। সরকার বদল হতেই ছাড়পত্র দিয়েছে কলকাতা পৌরনিগম। এদিকে, রাজ্য সরকার প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ২ বছর রাজ্যে নতুন কোনও বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি পাবে না।