
কলকাতা: নাছোড় আন্দোলন শেষে এসেছে বড় জয়। পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাতেই উচ্ছ্বাসের ছবি দিল্লি থেকে কলকাতা, পটনায়। ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দীপকে‘ঝুকতি হ্যায় দুনিয়া, ঝুকানে ওয়ালা চাহিয়ে’। এরইমধ্যে বড় পোস্ট সোনাম ওয়াংচুকের। ফেসবুকে তিনি লিখছেন, ‘এটা গণতন্ত্রের বিজয়! একেবারে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র… যা সরাসরি রাজপথ থেকে উঠে এসেছে। এটি শান্তি, ধৈর্য এবং অধ্যবসায়ের এক অসামান্য জয়।’
একইসঙ্গে তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, “অভিনন্দন সিজেপি (CJP) এবং দেশের তরুণ প্রজন্মকে। পাশাপাশি দেশের সেই সমস্ত নাগরিককে ধন্যবাদ জানাই, যাঁরা ভয় এবং ‘ভয় পাওয়ার ভীতি’—উভয়কেই দূরে সরিয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে একজোট হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছেন।” কিন্তু কী হবে পরবর্তী আন্দোলনের রূপরেখা? এরইমধ্যে সোনাম ওয়াংচুকের তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন, “জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পর, এবার আমাদের লক্ষ্য সংস্কারের দিকে!”
প্রসঙ্গত, একদিন আগেই ২৬ দিনের অনশন ভেঙেছেন তিনি। গুরুগ্রামের মেদন্ত হাসপাতালে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং-এর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে অনশন ভাঙেন তিনি। গত ২৮ জুন থেকে নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস, শিক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেম সোনাম। শুরু করেছিলেন অনশন। এরইমাঝে তাঁকে প্রথমে ভর্তি করা হয় সফদরজং হাসপাতালে। পরবর্তীতে স্থানান্তরিত করা হয় মেদন্ত হাসপাতালে। অনশনের মাঝেই তাঁর ওজন ১১ কেজি পর্যন্ত কমে যায়। তাঁকে নিয়ে উদ্বেল হয় গোটা দেশ। যদিও অনশন প্রত্যাহারের পর তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে উঠেছে নানা মত।