
কলকাতা: শেষবেলার প্রস্তুতি সারছে নির্বাচন কমিশন। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে চলছে কাজ। সলতে পাকানোর কাজ অনেক আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছে শাসক থেকে বিরোধী সব রাজনৈতিক দলই। লোকসভার ঘুঁটি সাজাতে তৎপর বামেরা। এরইমধ্যে বুধবার থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির দু’দিনের বৈঠক। নির্বাচনী কৌশল থেকে শুরু করে প্রার্থী বাছাই সবটা নিয়েই এদিনের বৈঠকে জোরদার আলোচনা হয়েছে বলে খবর। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্যজোড়া ইনসাফ যাত্রার পর বড় ব্রিগেড করে ফেলেছে সিপিএমের যুব ব্রিগেড। লোকসভা নির্বাচনেও ভাল ফলের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বামেরা।
শোনা যাচ্ছে. লোকসভা নির্বাচনেও তরুণ মুখেই ভরসা রাখতে চায় আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। আসন প্রতি চারজনের তালিকা তৈরির নির্দেশ জেলাগুলিকে। চলতি মাসেই প্রার্থী তালিকা ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
এই তালিকায় যত বেশি সম্ভব তরুণ মুখকে প্রাধান্য দিয়েই তালিকা তৈরি করতে হবে বলে জেলা গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগেই এসএফআইয়ের বড় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সৃজন ভট্টাচার্য, প্রতীকউর রহমান। এই দুজনেই আবার লড়েছেন শেষ বিধানসভা নির্বাচনে। শোনা যাচ্ছে লোকসভার ময়দানেও দেখা যেতে পারে তাঁদের। প্রার্থী হতে পারেন শেষ বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতার বিরুদ্ধে লড়া মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ও। তবে কোন কোন আসনে তাঁদের টিকিট দেওয়া হতে পারে সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে এখনও কিছু জানা যায়নি।
অন্যদিকে, ফেব্রুয়ারির মধ্যে আসন সমঝোতার প্রাথমিক প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে চায় সিপিআইএম। বুধবার রাজ্য কমিটির বৈঠকের প্রথম দিনে সেই মনোভাব স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলীয় নেতৃত্ব। তবে কংগ্রেস তাদের অবস্থান পরিষ্কার না করলে কবে কথা শুরু হবে, বলা মুশকিল, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তাঁর যাত্রায় সামিল হওয়ার বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বৈঠকে। বেশির ভাগ জেলা কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের পক্ষে সায় দিয়েছে বলে খবর।