Baguihati Crime: কাজে বেরিয়েছিলেন বাবা-মা, সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে ছেলেকে নৃশংস ‘খুন’, ভরদুপুরে বাগুইআটিতে হাড়হিম ঘটনা

Baguihati Youth Killed: পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইহাটির রঘুনাথপুরে বাবা-মা ও দাদার সঙ্গে থাকতেন বলরাম। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী রয়েছেন। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে বাড়িতে মা-বাবা ও দাদা কেউ ছিলেন না। বাবা ও দাদার মাছের ব্যবসা। তাই সকাল সকাল বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, বলরামের মা পরিচারিকার কাজ করেন। তাই তিনিও বাড়ি ছিলেন না।

Baguihati Crime: কাজে বেরিয়েছিলেন বাবা-মা, সেই সুযোগে বাড়িতে ঢুকে ছেলেকে নৃশংস খুন, ভরদুপুরে বাগুইআটিতে হাড়হিম ঘটনা
বাগুইআটিতে ভয়ঙ্কর ঘটনাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Sep 20, 2026 | 4:17 PM

কলকাতা: ভরদুপুরে বাড়িতে ঢুকে যুবককে (Youth Allegedly Killed in Baguihati) খুনের অভিযোগ। মৃতের নাম বলরাম রাজবংশী। জানা গিয়েছে, বাড়িতে একাই ছিলেন তিনি। সেই সুযোগে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী বাড়িতে ঢুকে প্রথমে লুঠপাঠ চালায়। তারপর ওই যুবককে বারবার ভারী বস্তু দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর কপালে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ভরদুপুরে বাগুইআটিতে হাড়হিম করা ঘটনা।

ঠিক কী ঘটেছে?

পুলিশ সূত্রে খবর, বাগুইহাটির রঘুনাথপুরে বাবা-মা ও দাদার সঙ্গে থাকতেন বলরাম। প্রায় দুই বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী রয়েছেন। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে বাড়িতে মা-বাবা ও দাদা কেউ ছিলেন না। বাবা ও দাদার মাছের ব্যবসা। তাই সকাল সকাল বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, বলরামের মা পরিচারিকার কাজ করেন। তাই তিনিও বাড়ি ছিলেন না।

বাড়িতে শুধু বলরাম ও তাঁদের একটি পোষ্য ছিল। অভিযোগ, সেই সুযোগেই বাড়িতে ঢুকে প্রথমে পোষ্যকে অন্য একটি ঘরে তালা মেরে লুঠপাঠ চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। এরপর শয্যাশায়ী বলরামকেও নৃশংসভাবে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশ কী বলছে?

পরিবারের দাবি, বলরামের মা কাজ থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন বিছানায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে তাঁর ছেলের দেহ। অন্যদিকে, ঘর লন্ডভন্ড, আলমারি খোলা, গয়না, টাকা-পয়সা সব লুট করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান লুঠের জন্যই খুন করা হয়েছে বলরামকে। পুলিশ সূত্রে খবর, বলরামের কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভারী বস্তু দিয়ে বারবার আঘাত করার জন্য যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের।

ঘটনায় পরিবারের তিনজন মা বাবা এবং দাদাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাগুইআটি থানায়। তবে, পুলিশের সন্দেহ দাদা কৃষ্ণ রাজবংশী উপর। কারণ বাড়িতে পোষ্য অচেনা ব্যক্তিকে দেখলে চিৎকার করে। কিন্তু, ঘটনার সময় যদি কোনও অচেনা ব্যক্তি ঢুকতেন, তাহলে কুকুরের চিৎকার শোনা যেত। প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, কোনও আওয়াজ শোনা যায়নি।

পাশাপাশি মা বাড়ির বাইরে থেকে তালা মেরে গিয়েছিলেন। কাজ থেকে বেলা বারোটার সময় বাড়ি ফিরে মা তালা খোলেন, ঘরে ঢুকে দেখেন আলমারি খোলা কিন্তু ভাঙা হয়নি। অর্থাৎ চাবি দিয়েই আলমারি খোলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মনে করছেন। আপাতত পরিবারের সদস্যরাই পুলিশের নজরে রয়েছেন। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us