
অলস জীবনযাপন করলে ওজন কমানো যায় না। কসরত আপনাকে করতেই হবে। হয়তো আপনাকে জিমে গিয়ে ঝাম ঝরাতে হবে, নাহলে রোজ পর্যাপ্ত পরিমাণে কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। শুধু ঘাম ঝরালেই হয় না। ওজন কমানোর জন্য সমানতালে জরুরি ডায়েট। সঠিক খাবার না খেলে কোনওভাবেই ওজন কমানো সম্ভব নয়। আর ডায়েটে যদি টক দই থাকে, তাহলে ওজন কমানো আরও সহজ হয়ে যায়।
শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং পেটের সমস্যা দূর করতে টক দই ভীষণ উপকারী। এমনকি ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে টক দই। রোজ এক বাটি করে টক দই খেলেই উপকার পাবেন। সকালের জলখাবার হোক কিংবা দুপুর বা রাতের খাবার, ডায়েটে এক বাটি টক দই রাখা চাই। কিন্তু দইয়ের টক স্বাদ অনেকের পছন্দ নয়। আর রাতে খেতেও চান না অনেকে টক দই। সেক্ষেত্রে উপায় কী? টক দই না খেলেও রায়তা খেতে পারেন। টক দইয়ের চেয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু হয় রায়তা। আর উপকারিতাও মেলে টক দইয়ের মতোই। এমন ৩ ধরনের রায়তা রয়েছে, যা ওজন কমানোর জন্য রোজ খাওয়া যায়।
শসার রায়তা: শসা কুচিয়ে নিন। জল ঝরিয়ে নিন। পাশাপাশি কয়েকটা পুদিনার পাতাও কুচিয়ে নিন। এবার এগুলো টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপর দিয়ে স্বাদমতো নুন ও গোলমরিচের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। চাট মশলাও দিতে পারেন। তৈরি শসার রায়তা।
বিটের রায়তা: বিটের খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং গ্রেট করে নিন। টক দইয়ের সঙ্গে বিট, নুন, গোলমরিচ মিশিয়ে দিন। এবার তেলে সর্ষে, জিরে, কারিপাতা ও হিং ফোড়ন দিন। এই তেল দইয়ের উপর ছড়িয়ে দিন। তৈরি বিটের রায়তা।
লাউয়ের রায়তা: অর্ধেক লাউ ঘষে নিন। সামান্য নুন জলে ওই লাউ ভাপিয়ে নিন। একটি পাত্রে টক দই, বিট নুন ও ভাজা মশলা নিন। এর সঙ্গে সেদ্ধ লাউ মিশিয়ে দিন। উপর দিয়ে ধনেপাতা ও কাঁচা লঙ্কা কুচি ছড়িয়ে দিন। তৈরি লাউয়ের রায়তা।