
রোদ আর দূষণ মিলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে। সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে বেরোলে ত্বকের দফারফা হয়ে যায়। তার সঙ্গে দূষণের আক্রমণে ত্বকের সমস্যা বাড়তেই থাকে। ত্বকের জেল্লা কমে যায়। ত্বক শুষ্ক ও নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে। ত্বককে ভাল রাখতে চাইলে রোদ ও দূষণের হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেই হবে। ত্বককে ডিটক্সিফাই করতে হবে। ত্বককে এই পুনরুজ্জীবিত করে তুলবেন কীভাবে? রইল টিপস।
ত্বকের উপর প্রতিদিন শ’য়ে শ’য়ে মৃত কোষ জমতে থাকে। এর জেরে ত্বক বিবর্ণ হয়ে যায়। ত্বক নিষ্প্রাণ ও নির্জীব দেখায়। অনেক সময় এই মৃত কোষ জমে রোমকূপের মুখ বন্ধ করে দেয়। এর জেরেই ব্রণর সমস্যা বাড়ে। এছাড়াও ঘাম, জল কম খাওয়া, ঘুম কম হওয়া, অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া, দূষণ, রোদ ত্বকের অবস্থা আরও খারাপ করে দেয়। এসব কিছুর হাত থেকে ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করে তুলতে হবে আপনাকেই।
দূষণ ও রোদের প্রভাবে ত্বকের যে ক্ষতি হয়, তার থেকে ত্বককে পুনরুদ্ধার করতে বেছে নিন চারকোল ফেসপ্যাক। চারকোল ত্বকের উপরিতলে জমে থাকা সমস্ত ময়লা, তেল, দূষণ পরিষ্কার করে দেয়। এই কালো উপাদান কোরিয়ান স্কিন কেয়ারের হাত ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তবে, একবার ব্যবহারের পর আর কেউই ছাড়তে চায়নি চারকোলকে। ক্লিনজিং থেকে শুরু করে ট্যান রিমুভিং—সব কাজ দক্ষতার সঙ্গে করে চারকোল। চারকোল ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদি ফল পাওয়া যায়। আজকাল বাড়িতে সহজেই চারকোল যুক্ত প্রসাধনী পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা বাড়িতেও চারকোল ফেসপ্যাক বানিয়ে নিতে পারেন।
বাড়িতে যে উপায়ে চারকোল ফেসপ্যাক বানাবেন-
বাজার থেকে কিনে আনুন ভাল মানের চারকোল পাউডার ও বেনটোনাইট ক্লে। অনলাইনেও কিনতে পারেন। এছাড়া বেছে নিন আপনার পছন্দের যে কোনও এসেনশিয়াল অয়েল। ব্রণর সমস্যায় টি ট্রি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। পরিমাণমতো চারকোল পাউডার ও বেনটোনাইট ক্লে নিন। এবার এতে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার এতে জল মিশিয়ে ঘন করে ফেসপ্যাক। এই ফেসপ্যাক ত্বকের উপর লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে এক দিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করুন। এটি ত্বক থেকে ট্যান তুলে দেবে। পাশাপাশি ত্বককে থেকে সমস্ত টক্সিন বের করে দেবে।