
চুল শুষ্ক হয়ে গেছে। বাইরে থেকে দেখতে খুব রাফ লাগে। জানেন ত্বকের যত্নে ও চুলে ডিমের ব্যবহার বহু পুরনো? ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ এবং বায়োটিন, যা সৌন্দর্যচর্চায় দারুণ কাজ করে। নিচে চুল ও ত্বকে ডিম লাগানোর প্রধান উপকারিতাগুলো দেওয়া হল:
চুলের যত্নে ডিমের উপকারিতা
চুল পড়া কমায় ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: ডিমের কুসুমে থাকা বায়োটিন এবং প্রোটিন চুলের গোড়া শক্ত করে, যার ফলে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
ডিপ কন্ডিশনিং: ডিম প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। এটি শুষ্ক ও প্রাণহীন চুলে আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনে চুলকে নরম ও সিল্কি করে তোলে।
চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়: ডিমের সাদা অংশে থাকা এনজাইম চুলের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বা শাইন ফিরিয়ে আনে।
খুশকি দূর করতে: লেবুর রস বা টক দইয়ের সাথে ডিম মিশিয়ে মাথায় লাগালে স্ক্যাল্পের ইনফেকশন ও খুশকির সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।
ত্বকের যত্নে ডিমের উপকারিতা
ত্বক টানটান করে (Skin Tightening): ডিমের সাদা অংশ ত্বকের ঝুলে পড়া ভাব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী। এটি প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে টানটান ও মসৃণ করে।
তেলাভাব ও ব্ল্যাকহেডস দূর করে: ডিমের সাদা অংশ ত্বকের অতিরিক্ত তেল বা সিবাম (Sebum) নিয়ন্ত্রণ করে এবং লোমকূপের মুখ ছোট করতে (Shrink pores) সাহায্য করে, যা ব্ল্যাকহেডস কমাতে সহায়ক।
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে: ডিমের কুসুমে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন-এ শুষ্ক ত্বককে গভীরভাবে ময়েশ্চারাইজ করে এবং খসখসে ভাব দূর করে।
বয়সের ছাপ দূর করে: নিয়মিত ডিমের ফেসপ্যাক ব্যবহারে ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখা (Wrinkles) পড়ার গতি ধীর হয়।