
হঠাৎ করে সুগার ধরা পড়েছে। রিপোর্ট নিয়ে ছুটলেন ডাক্তারের কাছে। চিকিৎসকের কথা মতো ওষুধ খাচ্ছেন। আর ডায়েট থেকে বাদ দিলেন শুধু চিনি। মিষ্টি জাতীয় খাবার না খেলেই যে সুস্থ থাকবেন এমন কোনও কথা নেই। কৃত্রিম চিনির পাশাপাশি ডায়েট থেকে চর্বিযুক্ত খাবারও বাদ দিতে হবে। তবেই, সুগার থাকবে একদম নিয়ন্ত্রণে। এসব খাবার বাদ দেওয়ার পাশাপাশি কোন ধরনের খাবার রোজ খাবেন, এটা সুগার রোগীদের আরও বড় প্রশ্ন।
ডায়াবেটিসের রোগীদের ডায়েটে যত বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখবেন, সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এর পাশাপাশি শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে। কিন্তু সবধরনের শাকসবজিই আপনি খেতে পারবেন, এমন নয়। যে সব শাকসবজিতে স্টার্চের পরিমাণ বেশি, সেগুলো একদম খাওয়া যায় না। যে কারণে অনেকেই ভয় পান যে, আলু খেলে সুগার বেড়ে যাবে। স্টার্চহীন সবজি টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত। এর জন্য কোন-কোন সবজি পাতে রাখবেন, দেখে নিন এক নজরে।
পটল: পটলের গ্লাইসেমিক সূচক কম। এই সবজিতে স্টার্চ নেই। পাশাপাশি পটলের মধ্যে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সহ বিভিন্ন ধরনের মিনারেল রয়েছে। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপযুক্ত এই সবজি।
ঝিঙে: না শুনলে অনেকেই নাক সিঁটকান। কিন্তু সুগার বাড়লে ঝিঙে খাওয়া উচিত। এই সবজির মধ্যে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি রয়েছে। এছাড়াও এই খাবারে ফাইবার রয়েছে।
ঢ্যাঁড়শ: সুগারে ঢ্যাঁড়শ খাওয়া ভীষণ ভাল। এই হড়হড়ে সবজিই আপনার সুগার লেভেলকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে। ফাইবারের পাশাপাশি ঢ্যাঁড়শে ভিটামিন সি, বি৬ এবং অন্যান্য পুষ্টি রয়েছে। গরমে এই সবজি রোজ খেলে ডায়াবেটিসের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে ভাবতে হবে না।
উচ্ছে: ডায়াবেটিসের রোগীদের পাতে কোনও সবজি থাকুক আর না-ই থাকুক উচ্ছে রাখা ভীষণ জরুরি। এই তেতো সবজি ডায়াবেটিসের রোগীদের কাছে ওষুধের মতো কাজ করে। এতে থাকা বিশেষ উপাদান সুগার কমাতে সহায়ক।
কুমড়ো: কুমড়ো রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়ক। কুমড়োর মধ্যে ফাইবারের পাশাপাশি জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও বিভিন্ন পুষ্টি রয়েছে। স্বাদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য উপকারী এই আনাজ।