
আজকাল ঘরে ঘরে ডায়াবেটিসের সমস্যা। আর একবার ধরা পড়লেই ব্যস, প্রথম কোপ পড়ে খাওয়া দাওয়ায়। এমনিতেই বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় সবজি আলু। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আলু না হলে চলে না। কিন্তু রোজকার খাদ্যতালিকা থেকে প্রথমেই বাদ পড়ে সেই আলু।
আলুতে শর্করা এবং স্টার্চের পরিমাণ অনেকটাই বেশি থাকে। তাই আলু খেতে বারণ করেন চিকিৎসকেরা। গ্লাইসেমিক ইনডেক্সও আলুতে ভরপুর পরিমাণে রয়েছে। ফলে ডায়াবেটিকদের আলু এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
তবে আলু ছাড়া বাঙালিদের রান্না করাটাই দায়। কিন্তু আপনি কি জানেন ডায়াবেটিক হলেও আলু খাওয়া যেতে পারে। তবে তার জন্য খালি মানতে হবে কয়েকটি নিয়ম।
কেকের মতো আলুকেও আপনি বেক করে নিতে পারেন। অল্প তাপমাত্রায় বেক করে নিলে আলুর উপকারী গুণগুলি বজায় থাকে। কিন্তু স্টার্চের পরিমাণ কমে যায়। তাই ভেজে খাওয়ার বদলে বেক করে আলু খাওয়া যেতেই পারে।
ভেজে নয় ভাপিয়ে খেতে পারেন আলু। যেমন ইচ্ছা টুকরো করে কেটে অল্প নুন মাখিয়ে হালকা করে ভাপিয়ে নিন। ব্যস তৈরি আলু ভাপা। চাইলে সামান্য তেল দিয়ে হালকা নাড়াচা়ড়া করে নিতে পারেন। তবে সেটা না করাই ভাল।
সেদ্ধ আলু খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি প্রায় নেই বললেই চলে। আলুতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ বেশি হলেও, সেদ্ধ করে খেলে সেই ঝুঁকি থাকে না। তাই সেদ্ধ আলু খেতেই পারেন।
তবে মনে রাখবেন আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা যদি খুব বেড়ে গিয়ে থাকে তা হলে কটা দিন আলুর সঙ্গে বিচ্ছেদেই মঙ্গল। আর প্রয়োজনে চিকিৎসক বা কোনও পুষ্টিবিদের থেকে পরামর্শ নিয়ে নিন।