
বাসন মাজার সাবানে থাকা শক্তিশালী ডিটারজেন্ট ত্বকের প্রাকৃতিক তেল (Natural oils) শুষে নেয়। এর ফলে হাত খুব দ্রুত খসখসে ও রুক্ষ হয়ে যায়।

আমাদের ত্বকের প্রাকৃতিক পিএইচ সাধারণত অম্লীয় (Acidic) প্রকৃতির হয়। কিন্তু বাসন মাজার সাবান ক্ষারীয় (Alkaline) হওয়ায় এটি ত্বকের সুরক্ষা স্তর বা ব্যারিয়ার নষ্ট করে দেয়।

যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের ক্ষেত্রে এই সাবানে থাকা রাসায়নিক থেকে 'কন্টাক্ট ডার্মাটাইটিস' বা একজিমার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে হাত লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি বা চামড়া ওঠার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

এতে সোডিয়াম লরিল সালফেট (SLS) এর মতো শক্তিশালী সারফ্যাক্ট্যান্ট থাকে, যা ত্বকের কোষের ক্ষতি করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা কমিয়ে দেয়।

নিয়মিত বাসন মাজার সাবানের সংস্পর্শে নখ ভঙ্গুর হয়ে যায়। নখের চারপাশের চামড়া ফেটে যাওয়া বা কিউটিকেলের ক্ষতি হওয়ার পেছনেও এই ক্ষারীয় সাবান দায়ী।

অনেক সাবানে কৃত্রিম সুগন্ধি এবং রং ব্যবহার করা হয়। এই উপাদানগুলো অনেকের ত্বকে অ্যালার্জি সৃষ্টি করে এবং হাত ধোয়ার পর দীর্ঘক্ষণ জ্বালাপোড়া হতে পারে।

হাত বারবার কড়া রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসায় হাতের চামড়া কুঁচকে যায় এবং বয়সের ছাপ দ্রুত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

সাবানের প্রভাবে ত্বকের উপরের সুরক্ষা স্তর ফেটে গেলে সেই সূক্ষ্ম ফাটল দিয়ে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস সহজেই শরীরে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটাতে পারে।