
চোখে ধুলো ( Dust in Eye ) পড়লেই আপনি কী করেন? নিশ্চয়ই চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে কচলাতে শুরু করেন? রাস্তায় বাইকে যাচ্ছেন বা বাসের জানলার ধারে বসে আছেন, হঠাৎ এক ঝলক ধুলো বা ছোট্ট একটা পোকা উড়ে এসে সোজা চোখে ঢুকে গেল। শুরু হল জ্বালা, জল পড়া। আর তখনই আপনি হয়তো চোখ কচলে ফেলছেন। মনে হচ্ছে কচলালেই বেরিয়ে যাবে, তাই তো? ডাক্তাররা বলছেন, এই কচলানোটাই হল সবচেয়ে বড় বিপদ।
সারাদিনে আপনার হাতে কত নোংরা লাগে ভেবে দেখুন। সেই নোংরা হাতে চোখ কচলালে ইনফেকশন হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। নখের খোঁচায় চোখের কালো মণিতে আঁচড়ও পড়ে যেতে পারে। তারপর থেকেই চোখ লাল হয়ে যাওয়া, ফুলে যাওয়া, অনবরত জল পড়া শুরু হয়। তাই চোখে কিছু পড়লে প্রথম কাজ হল হাত সরিয়ে নেওয়া। তাহলে কীভাবে বের করবেন? হাত না লাগিয়েও তিনটে খুব সহজ উপায় আছে, যাতে এক মিনিটেই আরাম পাবেন।
কী কী করবেন?
১. নিজের চোখের জলকেই কাজে লাগান
চোখ বন্ধ করে ফেলবেন না। আলোর দিকে তাকিয়ে বারবার পলক ফেলতে থাকুন। আপনার চোখের ভিতরেই যে জল আছে, ওটাই হল সবচেয়ে ভালো ওষুধ। পলক ফেললেই ওই জলের সঙ্গে ধুলো, বালি বেরিয়ে আসে। ২০-৩০ সেকেন্ড এভাবে করলেই দেখবেন খচখচে ভাবটা অনেক কমে গেছে।
২. এক বাটি জলেই সমাধান
একটা পরিষ্কার বাটিতে খাওয়ার জল নিন। পারলে আগে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা জল হলে সবচেয়ে ভালো। এবার সেই জলে চোখ ডুবিয়ে পিটপিট করুন। কলের তলা থেকে সরাসরি জলের ঝাপটা মারবেন না। আর গামছা, শাড়ির আঁচল বা নোংরা রুমাল দিয়ে ভুলেও চোখ মুছবেন না। হাত ভালো করে ধুয়ে আলতো করে জল দিন।
৩. এই কৌশলটা জানেন?
অনেক সময় মনে হয় উপরের পাতার ভিতরে কিছু আটকে আছে। তখন উপরের পাতাটা আলতো করে টেনে নিচের পাতার উপর ৫-৬ সেকেন্ড ধরে রাখুন। নিচের পাতার পাপড়িগুলো ব্রাশের মতো কাজ করে উপরের ময়লাটা টেনে বের করে দেয়। তারপর আবার পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিন। এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
কখন আর দেরি করবেন না?
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি কোনওভাবেই চিকিৎসার বিকল্প নয়। সমস্যা গুরুতর হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।