Frequent urination at night: রাতে বারবার টয়লেটে যেতে হয়? কোনও কঠিন রোগের কারণ নয়তো!

Night urination causes: রাতে বারবার টয়লেটে যাওয়াকে সাধারণ অভ্যাস ভেবে ভুল করছেন না তো? এটি কিন্তু রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি কিংবা প্রোস্টেটের সমস্যার মতো বড় রোগের সংকেত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় এই সমস্যাকে বলা হয় ‘নকচুরিয়া’। জানুন কোন কোন লক্ষণে চিকিৎসকের কাছে দৌড়বেন এবং কীভাবে নিজেকে সুস্থ রাখবেন?

Frequent urination at night: রাতে বারবার টয়লেটে যেতে হয়? কোনও কঠিন রোগের কারণ নয়তো!
কী বলছেন চিকিৎসকরা?Image Credit source: Free pik

Jul 31, 2026 | 12:27 PM

রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন, আর হঠাৎ মাঝরাত্রে প্রস্রাবের চাপে ঘুম ভেঙে গেল, এমনটা কি আপনার সঙ্গেও প্রায়ই ঘটছে? দিনে এক-আধবার হলে তা স্বাভাবিক, কিন্তু প্রতি রাতে যদি দু-তিনবার বা তার বেশি বাথরুমে ছুটতে হয়, তবে সাবধান! চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘নকচুরিয়া’ (Nocturia)। এটি কিন্তু শুধুই একটি অস্বস্তি নয়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় এর পিছনে বেশ কিছু শারীরিক প্রমাণের কথা উঠে এসেছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণা কী বলছে?

বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা গবেষণা সংস্থা ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ’ (NIH)-এর বিভিন্ন রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, আমাদের শরীরে থাকা ‘অ্যান্টিডিউরেটিক হরমোন’ রাতে প্রস্রাব তৈরির পরিমাণ কমিয়ে রাখে। কিন্তু বয়সের সঙ্গে বা নানা শারীরিক কারণে এই হরমোন কমে গেলে রাতে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।

এছাড়াও ‘আমেরিকান ইউরোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ (AUA)-র গবেষণা অনুযায়ী, নকচুরিয়ার প্রধান দুটি কারণ হল:

ডায়াবেটিস (Diabetes): রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে কিডনি বাড়তি চিনি শরীর থেকে বের করতে অনেক বেশি জল ব্যবহার করে। ফলে রাতে বারবার বাথরুমে যেতে হয়।

প্রোস্টেটের বৃদ্ধি: বয়স্ক পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্রন্থি (Prostate Gland) আকারে বড় হয়ে গেলে তা মূত্রনালিতে চাপ দেয়। ফলে থলি বা ব্লাডার পুরোপুরি খালি হতে পারে না।

অন্য দিকে, ‘স্লিপ ফাউন্ডেশন’-এর তথ্য বলছে, যাঁদের রাতে নাক ডাকার সমস্যা বা ঘুমের রোগ রয়েছে, তাঁদের শরীরে এক বিশেষ কেমিক্যাল তৈরি হয়, যা রাতে কিডনিকে বেশি জল বের করে দেওয়ার বার্তা পাঠায়।

চিকিৎসকদের মতে, সবসময় রোগ না থাকলেও ভুল অভ্যাসের কারণে এই কষ্ট হতে পারে। যেমন-

  • রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে অনেকটা জল খাওয়া।
  • সন্ধ্যা বা রাতে বেশি চা, কফি বা কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করা।
  • খাবারে বেশি নুন খাওয়া বা সারাদিন শুয়ে-বসে থাকা।

কীভাবে পাবেন মুক্তি?

সন্ধ্যার পর চা-কফির অভ্যাস কমান এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে খুব বেশি জল খাবেন না। তবে সমস্যাটি রোজ হতে থাকলে ফেলে রাখবেন না। একটি সাধারণ ব্লাড সুগার পরীক্ষা বা ইউরিন টেস্ট করালেই এর প্রমাণ ও কারণ ধরা পড়ে যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us