
কমোডের সিস্টার্ন বা ওয়াটার ট্যাঙ্ক এমন একটি স্থান, যা সহজে চোখে পড়ে না বলে অনেক সময় অবহেলিত থাকে। তবে নিয়মিত এটি পরিষ্কার না করলে জল জমে দুর্গন্ধ, দাগ এবং ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হতে পারে, যা পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। সৌভাগ্যক্রমে, কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে মাত্র ১০ মিনিটে সিস্টার্ন পরিষ্কার করা সম্ভব। কী ভাবে জানুন
জলর লাইন বন্ধ করুন ও সিস্টার্ন খালি করুন
প্রথমে কমোডের সিস্টার্নের জলর সংযোগ (ভাল্ভ) বন্ধ করে দিন। এরপর ফ্ল্যাশ দিয়ে ভিতরের সমস্ত জল বের করে নিন। এতে পরিষ্কারের জন্য ভিতরের অংশ উন্মুক্ত হবে।
সাদা ভিনেগার ঢালুন
সিস্টার্নের ভিতরে ১ কাপ সাদা ভিনেগার ঢেলে দিন। এটি জলের দাগ ও ময়লা গলাতে সাহায্য করে। ভিনেগার জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে।
বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন
এরপর আধা কাপ বেকিং সোডা সিস্টার্নে ছিটিয়ে দিন। ভিনেগারের সঙ্গে বিক্রিয়ায় এটি ফেনা তৈরি করবে, যা দাগ ও জীবাণু সহজে দূর করে।
ব্রাশ দিয়ে ঘষুন
৫ মিনিট পর একটি টয়লেট ব্রাশ বা পুরনো দাঁতের ব্রাশ দিয়ে সিস্টার্নের ভেতরের প্রাচীর ও যন্ত্রাংশ ঘষে ময়লা তুলে ফেলুন। যেসব জায়গায় বেশি দাগ রয়েছে, সেখানে বাড়তি মনোযোগ দিন।
গরম জল ঢেলে ধুয়ে ফেলুন
সবশেষে গরম জল ঢেলে সিস্টার্ন পুরোপুরি ধুয়ে ফেলুন। চাইলে একবার ফ্ল্যাশ দিয়ে সব ময়লা ভালোভাবে বের করে দিতে পারেন।
প্রতি মাসে একবার এইভাবে পরিষ্কার করলে ময়লা জমার আশঙ্কা কমে যায়। ভিনেগার ও বেকিং সোডা না থাকলে বাজারে পাওয়া যায় এমন টয়লেট ক্লিনারও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলো ব্যবহারে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। সিস্টার্ন পরিষ্কার রাখলে শুধু টয়লেট নয়, গোটা বাথরুমই পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর থাকে। তাই সময় নষ্ট না করে মাত্র ১০ মিনিটেই নিজের বাথরুমকে দিন নতুন ঝকঝকে অনুভূতি!