
কাঁচা আম ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিন। এরপর একটি জিপলক ব্যাগে ভরে ভেতরের হাওয়া বের করে দিয়ে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন। এটি ডাল বা চাটনিতে ব্যবহারের জন্য আদর্শ।

আম সেদ্ধ করে বা ব্লেন্ড করে পাল্প তৈরি করে নিন। এই পিউরি আইস ট্রে-তে জমিয়ে কিউব আকারে প্লাস্টিক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখতে পারেন। স্মুদি বা আমপোড়া শরবত তৈরিতে এটি দারুণ কাজে লাগে।

আমের ফালিগুলোতে নুন ও হলুদ মাখিয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে আমসি তৈরি করুন। ভালোমতো শুকিয়ে গেলে কাঁচের বয়ামে ভরে রাখুন। সারা বছর টক ডাল বা মাছে ব্যবহারের জন্য এটি সেরা উপায়।

একটি বড় কাঁচের বয়ামে জল নিয়ে তাতে প্রচুর পরিমাণে নুন মেশান। এবার খোসাসহ আমের টুকরো সেই জলে ডুবিয়ে রাখুন। খেয়াল রাখবেন আম যেন জলের নিচে থাকে। এভাবে কয়েক মাস আম ভালো থাকে।

খোসা ছাড়ানো আমের টুকরো ভিনিগার ও সামান্য নুনের মিশ্রণে ডুবিয়ে ফ্রিজে রেখে দিলে অনেকদিন পর্যন্ত এর সতেজতা বজায় থাকে।

প্রথাগত পদ্ধতিতে সরষের তেল, পাঁচফোড়ন এবং শুকনো লঙ্কা দিয়ে আচার বানিয়ে রাখলে আম নষ্ট হয় না। তেলের স্তর যেন আচারের উপরে থাকে, যা প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে।

আম চিনির সিরায় ফুটিয়ে মোরব্বা তৈরি করে নিতে পারেন। চিনির কড়া রস আমকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করে এবং মিষ্টি স্বাদের জন্য এটি সংরক্ষণ করা সহজ।

আম কুড়িয়ে নিয়ে তাতে নুন ও সরষে বাটা মিশিয়ে রোদে দিয়ে আম-কাসুন্দি বানিয়ে ফেলুন। এটি ভাতের পাতে বা স্ন্যাকসের সাথে দীর্ঘকাল ব্যবহার করা যায়।