
যাত্রার সময়সূচী ও আবেদন: ২০২৬ সালের কৈলাশ মানসসরোবর যাত্রার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। আগামী ১৯ মে পর্যন্ত ইচ্ছুক তীর্থযাত্রীরা অনলাইনে (kmy.gov.in) আবেদন করতে পারবেন। জুন থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত চলবে এই পবিত্র যাত্রা।

দুই ঐতিহ্যবাহী রুট: এ বছর ভক্তরা দুটি ভিন্ন পথে যাত্রা করতে পারবেন—একটি উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস এবং অন্যটি সিকিমের নাথু লা পাস। মোট ১০০০ জন তীর্থযাত্রীকে (প্রতি রুটে ৫০০ জন) যাত্রার অনুমতি দেওয়া হবে।

সিলেকশন প্রক্রিয়া: যাত্রীদের নির্বাচন কোনো সুপারিশে নয়, বরং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং কম্পিউটারাইজড ‘র্যান্ডম ড্র’-এর মাধ্যমে করা হবে। নারী ও পুরুষ আবেদনকারীদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেও নজর দেবে সরকার।

লিপুলেখ পাস (উত্তরাখণ্ড): যারা হিমালয়ের দুর্গম পথে ট্রেকিং করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য উত্তরাখণ্ডের এই ঐতিহ্যবাহী পথটি আদর্শ। এখান দিয়ে মোট ১০টি ব্যাচ পাঠানো হবে, যার প্রতিটি দলে থাকবে ৫০ জন সদস্য।

নাথু লা পাস (সিকিম): এই পথটি লিপুলেখের তুলনায় কম চ্যালেঞ্জিং এবং এখানে সড়কপথের উন্নত সুবিধা রয়েছে। মূলত প্রবীণ নাগরিক বা শারীরিক সক্ষমতা তুলনামূলক কম এমন যাত্রীদের জন্য সিকিম রুটটি বেশি উপযোগী।

আবেদনের যোগ্যতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে থাকা বাধ্যতামূলক এবং পাসপোর্ট বৈধ থাকতে হবে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।

খরচ ও ভর্তুকি: যদিও কেন্দ্র সরাসরি কোনো ভর্তুকি দেয় না, তবে উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলি তাদের বাসিন্দাদের যাত্রা শেষে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সহায়তা প্রদান করে। পুরো যাত্রাটি সম্পন্ন করতে প্রায় ২৩ থেকে ২৫ দিন সময় লাগে।