
রবিবারের দুপুর মানেই রান্নাঘর থেকে ভেসে আসা পাঠার মাংসের গন্ধ। অনেকেরই ছোটবেলার অন্যতম স্মৃতি এটাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হলেও, মাঝে মধ্য়ে পাঠার মাংস সামনে ধরলে আর না করতে পারেন না। তবে এখন অনেকেরই আক্ষেপ, পাঠার মাংস আর নরম, তুলতুলে হয় না। ঠিকমতো সেদ্ধ হয় না মাংস বা ঝোলটা সুস্বাদু হয় না। ঠিক যেমন মা-ঠাকুমারা রান্না করত, মুখে দিলেই গলে যেত। তবে দুঃখ করার দরকার নেই। আপনিও খুব সহজেই বাড়িতে কড়াই বা প্রেশার কুকারে নরম-তুলতুলে মাটন রাঁধতে পারবেন।
খাসির মাংস
পেঁয়াজ
কাঁচা লঙ্কা: পরিমাণমতো
আদা-রসুন পেস্ট,
সামান্য হলুদ,
লঙ্কা গুঁড়ো,
কাশ্মীরি লাল লঙ্কা গুঁড়ো: স্বাদ ও রঙের জন্য পরিমাণমতো,
ধনে গুঁড়ো
জিরা গুঁড়ো
গরম মশলা
১টি টমেটো
নুন: স্বাদমতো
ধনে পাতা: সামান্য
তেল- পরিমাণ মতো
প্রথমেই খাসির মাংস ভালোভাবে ধুয়ে একপাশে সরিয়ে রাখুন।
এরপর একটি প্যানে তেল গরম করে তাতে মিহি করে কাটা পেঁয়াজ ও কাঁচা লঙ্কা দিয়ে নরম হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। এরপর আদা-রসুন পেস্ট ও হলুদ দিয়ে কাঁচা গন্ধ চলে যাওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
খাসির মাংস রোস্ট করা: পেঁয়াজ ভাজার পর, পরিষ্কার করা খাসির মাংসের টুকরোগুলো দিয়ে ভালোভাবে মেশান। ঢেকে মাঝারি আঁচে রান্না হতে দিন। মাংস থেকে জল বেরিয়ে আসা এবং তেল ভেসে ওঠা পর্যন্ত রান্না করুন।
পেঁপের পেস্ট: খাসির মাংস রান্না করার সময়, রান্নার আগে (ম্যারিনেট করার সময়) অথবা রান্না বসানোর সঙ্গে সঙ্গেই ২ টেবিল চামচ কাঁচা পেঁপে যোগ করুন। এতে মাংস ভালো সেদ্ধ হয়।
কড়াইতে জল ফুটতে থাকলে, তাতে লঙ্কা দিয়ে মিশিয়ে নিন। তারপর পরিমাণমতো জল দিয়ে, ঢেকে মাঝারি আঁচে কিছুক্ষণ রাখুন। খাসির মাংসের টুকরোগুলি কিছুক্ষণ রান্না হয়ে গেলে, স্বাদমতো লবণ, ধনে গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, গরম মশলা এবং সুন্দর রঙের জন্য কাশ্মীরি লাল লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।
এরপর, কুকারটি ঢেকে দিন এবং ৫ থেকে ৭টি সিটি দেওয়া পর্যন্ত রান্না হতে দিন। সিটি দেওয়া হয়ে গেলে এবং বাষ্প বেরিয়ে গেলে, ঢাকনাটি সরিয়ে ফেলুন এবং সবশেষে ধনে পাতা ছড়িয়ে দিন। তাহলেই গরম, সুস্বাদু মাটন কারি তৈরি হয়ে যাবে।