
কার্তিক আরিয়ান (Kartik Aaryan) মানেই তো পর্দায় আলাদা উন্মাদনা। তবে ‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে তাঁর ওই চোখধাঁধানো শারীরিক রূপান্তর কিন্তু মোটেও সহজ ছিল না। রাতারাতি এমন পেশীবহুল চেহারা বানানো যায় না, তার পেছনে লুকিয়ে থাকে চরম আত্মত্যাগ আর নিখাদ শৃঙ্খলা। সম্পূর্ণ নিরামিষ খেয়ে এমন বডি তৈরি করা যেখানে প্রায় অসম্ভব মনে হয়, সেখানে কার্তিক প্রমাণ করে দিয়েছেন, সদিচ্ছা থাকলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। জিমে ঘাম ঝরানোর পাশাপাশি তাঁর আসল কেরামতি লুকিয়ে ছিল দৈনিক ডায়েট চার্টে।
এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা নিজেই ফাঁস করেছেন তাঁর সেই ‘রোবোটিক’ ডায়েটের গল্প। কার্তিক জানান, টানা ৬ মাস ধরে প্রায় প্রতি রাতে স্রেফ এক বাটি টমেটো সুপ খেয়েই তিনি ঘুমিয়ে পড়তেন! মাঝেমধ্যে টমেটোর বদলে পাতে জুটত ব্রোকলি সুপ। ব্যস, রাতে এটুকুই ছিল তাঁর খাবার। শুনে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এই কঠোর শৃঙ্খলাই তাঁকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করেছে।
তবে রাতে স্রেফ সুপ খেলেও সারাদিনে কার্তিকের নিরামিষ ডায়েটে প্রোটিনের কিন্তু কোনও খামতি ছিল না। পেশি গঠন এবং শরীরকে চাঙ্গা রাখতে তাঁর খাবারের তালিকায় নিয়মিত থাকত পনির, তোফু, সয়াবিন আর প্রচুর পরিমাণে তাজা স্যালাড। তোফু এবং পনির ক্যাসিন ও সয় প্রোটিনে ভরপুর, যা শরীরচর্চার পর পেশির ক্ষয়পূরণে ভীষণ সাহায্য করে। শুধু তা-ই নয়, এই নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রার সুবাদে প্রতিদিন নিয়ম করে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যেসও গড়ে ওঠে তাঁর, যা কাজের প্রতি তাঁর মনোযোগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল।
কী কী খেতেন তিনি?
ঘরেই বানিয়ে নিন কার্তিকের সেই পছন্দের টমেটো সুপ
এই পুষ্টিকর সুপ বানানো কিন্তু বেশ সহজ:
উপকরণ: টমেটো, মাখন, সামান্য তেল, ময়দা, তেজপাতা, লবঙ্গ, নুন, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো, সামান্য দুধ, ক্রিম এবং ব্রেড ক্রুটন।
প্রণালী: