Janmashtami 2024: সাধারণের প্রবেশ নিষেধ, এখনও রোজ রাতে চলে রাসলীলা! জানেন কোথায় রয়েছে এমন স্থান?

Janmashtami 2024: আসলে হিন্দুদের খুব পবিত্র এই স্থান, বর্তমানে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায় অবস্থিত। এখানেই রয়েছে পবিত্র বৃন্দাবন, আর তার অন্যতম পবিত্র স্থান হল নিধিবন। বিশ্বাস এই নিধিবনে রোজ রাতে রাসলীলায় মেতে ওঠেন রাধা-কৃষ্ণ।

Janmashtami 2024: সাধারণের প্রবেশ নিষেধ, এখনও রোজ রাতে চলে রাসলীলা! জানেন কোথায় রয়েছে এমন স্থান?
এখনও রোজ রাতে রাসলীলায় মেতে ওঠেন রাধা-কৃষ্ণ!

Aug 25, 2024 | 2:10 PM

নিধিবনের নাম শুনেছেন অনেকেই, কিন্তু কী এই নিধিবন? এই উত্তর জানা নেই অনেকের। আসলে হিন্দুদের খুব পবিত্র এই স্থান, বর্তমানে ভারতের উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলায় অবস্থিত। এখানেই রয়েছে পবিত্র বৃন্দাবন, আর তার অন্যতম পবিত্র স্থান হল নিধিবন। বিশ্বাস এই নিধিবনে রোজ রাতে রাসলীলায় মেতে ওঠেন রাধা-কৃষ্ণ।

কথিত এই নিধিবনেই রাধা এবং সহস্র গোপিনীর সঙ্গে রাসলীলায় মাতেন লীলাধর। আজও নাকি নিধিবনে রাধা এবং গোপিনীদের সঙ্গে রাসলীলা করে চলেন কৃষ্ণ। তাই বনের পবিত্রতা রক্ষাতেও বিশেষ নিয়ম রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় আরতির পরে নিধিবনের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই নিধিবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা আশ্চর্য কাহিনী।

এই বনে আছেই অসংখ্য তুলসী গাছ। হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত পবিত্র এই গাছ। আবার এই গাছের ভেষজগুণ অনেক। তবে এখানকার তুলসী গাছগুলিও বেশ অদ্ভুত। উচ্চতায় ছোট হলে, এখানে সব গাছ জোড়ায় জোড়ায় পাওয়া যায়। এঁদের কাণ্ডও একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে। তুলসী গাছগুলির বাকল ফাঁপা এবং মাটি শুষ্ক হয়ে গেলেও সারা বছরই গাছ সবুজ পাতায় পূর্ণ থাকে।

রহস্যময়ী নিধিবন!

প্রচলিত এই গাছগুলি নাকি প্রতি রাতে এক একটি গোপী বালিকায় পরিণত হয়। তারপরেই চলে রাসলীলা। আবার ভোরের আলো ফোটার আগে পুনরায় গাছের বেশে ফিরে আসে।

আবার এখানেই রয়েছে রং মহল নামের এক মন্দির। কথিত এই মন্দিরেই কৃষ্ণের বস্ত্র পরেছিলেন রাধা। প্রতি রাতে রাসলীলা করে ক্লান্ত হয়ে এই মন্দিরেই বিশ্রাম নেন রাধা-কৃষ্ণ।

রাধা-কৃষ্ণের বিশ্রাম নেওয়ার জন্য চন্দন কাঠের শয্যাও রয়েছে রং মহলে। প্রতিদিন সন্ধ্যা আরতির পরে পুরোহিত মন্দিরের দরজা বন্ধ করার আগে শয্যা প্রস্তুত করে, রাধার জন্য চুড়ি, ফুল এবং বস্ত্র, তুলসী পাতা, দাঁত মাজার জন্য নিমের ডাল, খাওয়ার জন্য মিষ্টি এবং পান-সুপারি, এবং শয্যার পাশে জল ভর্তি একটি কলসি রেখে আসেন। কখনও কখনও আবার মাখন-চিনিও রেখে আসা হয়।

সন্ধের পরে তাই এই মন্দির চত্বরে সাধারণের প্রবেশ বারণ। কথিত রাতে তবু যদি কেউ এই ঘরের কাছে আসে, তখন মনে হয় এই ঘরে কেউ এসেছে।

সমস্ত ব্যবস্থা করে রং মহল এবং নিধিবনের প্রধান দরজা বাইরে থেকে তালা দেওয়া হয়। আবার পরের দিন সকালেই সেই তালা খোলা হয়। প্রতিদিন সকালে মন্দিরের দরজা খুললে শয্যা দেখে মনে হয় যেন কেউ তা ব্যবহার করেছে, নিমের ডাল ব্যবহার করা হয়েছে, মিষ্টি এবং পান পাতা দেখেও মনে হয় সেগুলি আংশিকভাবে কেউ খেয়েছে। এছাড়াও, চুড়ি, ফুল এবং কাপড়ও ব্যবহার করা হয়েছে।

তাই রাত ৮টার পর তাই এই বনে প্রবেশ করা নিষেধ। কথিত কেউ রাতে নিধিবনে থাকলে সে অন্ধ হয়ে যায় বা প্রাণ হারায়। আবার মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে যায় অনেকে। আবার পরের দিন ভোর সাড়ে ৫টায় রং মহলের দরজা খুলে দেওয়া হয়।

Follow Us