
পৌষে সকলেরই আক্ষেপ ছিল যে শীত পড়ছে না। বড়দিন থেকে বর্ষবরণ কোথাও পরা যায়নি শীতের জামাকাপড়, জ্যাকেট। তবে এবার জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে। পৌষ পার্বণ থেকেই শহরে ঠান্ডা পড়েছে, সেই সঙ্গে থাকছে বৃষ্টিও। শহর থেকে শহরতলি সকলেই বেশ ঠান্ডা উপভোগ করছেন। ঠান্ডা পড়তেই দিকে দিকে জমে উঠেছে মেলা। সঙ্গে আছে পার্টি পিকনিকও। লং উইকেন্ডে অনেকেই বেড়াতে যাওয়ার প্ল্যান করে ফেলেছেন। আমাদের রাজ্যে শীতের স্থায়িত্ব বড়ই কম। মেরে কেটে দু মাস। আর তাই শীতের আমেজ সকলেই লুটে পুটে নিতে চান। এতদিন সোয়েটার বাক্সবন্দী হয়েই ছিল। স্টাইলিশ সোয়েটার পরার জায়গাও ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। সেই সাধ এবার পূরণ করে নিন। যতই জ্যাকেট, ট্রেঞ্চ কোটে বাজার ছেয়ে যাক না কেন বাঙালির টুপি, মাফলার সোয়েটার কখনও পুরনো হওয়ার নয়
আজ থেকে প্রায় বছর ৩৫ আগে ব্যাগি সোয়েটারের বিশেষ চল ছিল। গত বছর থেকে তা আবার ফিরে এসেছে ফ্যাশনে। যদিও এখন সকলেই ওভার সাইজড জামা কাপড় পরতে পছন্দ করছেন। এর অবশ্য বিশেষ কিছু সুবিধাও রয়েছে। শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমলেও বোঝা যায় না। স্প্যাগেটির উপর চাপিয়ে নিলে দেখতেও বেশ স্টাইলিশ লাগে। ইদানিং সলিড রং ফ্যাশনে ইন। লাল, কালো, ঘন সবুজ এসব রঙের সোয়েটার দেখতেও বেশ ভাল লাগে। বিশেষত এই লাল রং। জিন্সের সঙ্গে ওভার সাইজড অই সব সোয়েটার বা ক্রপটপ সোয়েটারে দিব্যি সাজতে পারেন। এমন লুকে মেলা, পিকনিকে গেলে দেখতে বেশ ভাল লাগে।
যা ঠান্ডা পড়েছে তাতে মাথায় টুপি আর গলায় মাফলার দিতে ভুলবেন না। এখন অনেক রকম মাফলার পাওয়া যায়। সেই উলের মাফলারই গলাতে জড়িয়ে নিন। রোদ হলে চোখে থাকুক সানগ্লাস। ডেনিম বা সাদা জিন্স দিয়ে পেয়ার আপ করতে পারেন। শীতের দিনে বেশি মেকআপের প্রয়োজন নেই। তবে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে কিন্তু ভুলবেন না। ব্যাস আপনি তৈরি শীতের পারফেক্ট ফ্যাশনে। এমন সাজে যেদিকে দু চোখ যায় সে দিকে যান, মন ভরে ছবি তুলুন। দেখতে লাগবে বেশ। তবে খুব রংচঙে জামা শীত ঋতুর সঙ্গে যায় না। কাজেই অতিরিক্ত জরি-চুমকির কাজ করা সোয়েটার, চাদর থেকে দূরে থাকুন।