
সবসময় ১০০% সুতির (Cotton) বা উলের মোজা পরুন। এগুলো পায়ের ঘাম সহজে শুষে নেয় এবং বাতাস চলাচল করতে সাহায্য করে। নাইলন বা সিন্থেটিক মোজা ঘাম দূর করতে পারে না, তাই সেগুলো এড়িয়ে চলুন।

দিনে অন্তত একবার মোজা ধুয়ে পরিষ্কার করুন। একই জুতো টানা দুদিন না পরে বদলে বদলে পরুন, যাতে জুতোটি ব্যবহারের পর শুকানোর জন্য অন্তত ২৪ ঘণ্টা সময় পায়।

সপ্তাহে ২-৩ দিন হালকা গরম জলে কিছুটা এপসম সল্ট (Epsom Salt) অথবা ফোটানো লিকার চায়ের জল (টি-ব্যাগ ফুটিয়ে নেওয়া জল) মিশিয়ে তাতে ১৫-২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। চায়ের ট্যানিক অ্যাসিড পায়ের গ্রন্থি সংকুচিত করে ঘাম কমায়।

স্নান করার পর বা পা ধোয়ার পর অনেকেই ভালো করে পা না শুকিয়েই জুতো-মোজা পরে নেন। এই ভুলটি একদম করবেন না। আঙুলের ফাঁকের জল ভালো করে মুছে সম্পূর্ণ শুকানোর পরেই জুতো পরুন।

প্লাস্টিক, রবার বা সিন্থেটিক চামড়া (Rexine) দিয়ে তৈরি জুতো পরা বন্ধ করুন। এই ধরনের জুতোয় বাতাস চলাচল করতে পারে না, ফলে পায়ের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ঘাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। এর বদলে খাঁটি চামড়া বা ক্যানভাসের জুতো পরুন।

চা, কফি, চকলেট বা অতিরিক্ত লঙ্কা ও মশলাযুক্ত খাবার শরীরের ‘সিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেম’-কে উত্তেজিত করে তোলে, যা ঘাম উৎপাদনকারী গ্রন্থিগুলোকে বেশি সক্রিয় করে দেয়। তাই এই ধরনের খাবার খাওয়া কমান।

জুতো ভেতরে সামান্য ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে থাকলে তা ভুলেও পরবেন না। এতে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্মায়, যা ঘামের সঙ্গে মিশে পায়ের ত্বকে ইনফেকশন এবং মারাত্মক দুর্গন্ধ তৈরি করে।