Origin of Samosa: জানেন সিঙারার কীভাবে জন্ম হয়?

Singara history: শিঙাড়ার ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে উঠে আসে এক অদ্ভুত তথ্য! ঠান্ডা লুচি খেয়ে মহারাজার চরম রাগ, আর প্রাণ বাঁচাতে এক মহিলার মরিয়া চেষ্টা, এই ঘটনা থেকেই কি জন্ম নিয়েছিল বাংলার প্রথম শিঙাড়া? নাকি এই জনপ্রিয় পদের আসল গল্পটা লুকিয়ে আছে ভিন দেশের মাটিতে? সত্যিটা জানলে রীতিমতো চমকে যাবেন।

Oct 02, 2026 | 4:05 PM

1 / 8
সিঙারার ইতিহাস নিয়ে বাংলার বুকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে ঘিরে একটি দারুণ গল্প প্রচলিত রয়েছে। রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়ায় মিষ্টি খাওয়া আগেই বন্ধ হয়েছিল মহারাজার। একদিন সকালে ঠান্ডা লুচি খেয়ে মেজাজ হারান তিনি, আর রাগের মাথায় হালুইকরকে দেন চরম শাস্তি। Unsplash

সিঙারার ইতিহাস নিয়ে বাংলার বুকে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রকে ঘিরে একটি দারুণ গল্প প্রচলিত রয়েছে। রক্তে চিনির পরিমাণ বাড়ায় মিষ্টি খাওয়া আগেই বন্ধ হয়েছিল মহারাজার। একদিন সকালে ঠান্ডা লুচি খেয়ে মেজাজ হারান তিনি, আর রাগের মাথায় হালুইকরকে দেন চরম শাস্তি। Unsplash

2 / 8

প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, স্বামীর প্রাণ বাঁচাতে আসরে নামেন হালুইকরের স্ত্রী ধরিত্রী বেহরা। তিনি রাজদরবারে গিয়ে প্রতিশ্রুতি দেন যে এমন এক খাবার বানাবেন যা অনেক ক্ষণ গরম থাকবে। রাজা শর্ত দেন, যখনই চাওয়া হবে তখনই এই খাবার পরিবেশন করতে হবে। Unsplash

3 / 8

ধরিত্রী দেবী সোজা রান্নাঘরে ঢুকে ছোট ছোট লুচি বেলে তার মধ্যে তরকারির পুর ভরে দেন নিপুণ হাতে। তারপর সেই পুর ভরা ময়দার তালকে একটা সুন্দর ত্রিভুজের আকার দেন তিনি। গরম ঘিয়ে সোনালি করে ভাজা হয় সেই নতুন পদ। Unsplash

4 / 8

খাবারটি এতটাই গরম ছিল যে একবারে খেলে জিভ পুড়ে যাওয়ার ভয় ছিল। ধরিত্রী দেবী রাজাকে সাবধান করেন, একবারে নয়, বরং ছোট একটা কামড় দিতে হবে। রাজা সাবধানে কামড় বসাতেই দীর্ঘ ছ'মাস পর তাঁর মুখে তৃপ্তির হাসি দেখা যায়। Unsplash

5 / 8

খুশি হয়ে মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র ধরিত্রী দেবীকে তিন ছড়া মুক্তোর মালা উপহার দেন। গল্প অনুযায়ী, ধরিত্রী দেবী এই নতুন খাবারের নাম রাখেন 'সমভুজা', যা সমান তিনটি ভুজ বা দিক বোঝায়। অনেকেই মনে করেন, এই সমভুজাই কালের নিয়মে আজ সিঙারা হয়ে গিয়েছে। Unsplash

6 / 8

তবে ইতিহাসের পাতা ঘাঁটলে জানা যায়, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বহু শতক আগেই ভারতে সিঙারা বা সমোসা চলে এসেছিল। মধ্যপ্রাচ্যের 'সাম্বুসাক' বা 'সংবোসাগ' থেকেই এই ত্রিভুজাকার ভাজা খাবারের আসল উৎপত্তি। চতুর্দশ শতকে ইবন বতুতার লেখাতেও দিল্লির রাজদরবারে মাংস ও বাদামের পুর দেওয়া সমোসা খাওয়ার উল্লেখ রয়েছে। Unsplash

7 / 8

ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজরা এ দেশে আলু আনার পর থেকেই সিঙারায় আলুর ব্যবহার শুরু হয়। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র এবং ধরিত্রী দেবীর গল্পটি সম্ভবত বাংলায় আলুর পুর দেওয়া নিরামিষ শিঙাড়াকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে একটি স্থানীয় মিথ। সেই আলুর পুর দেওয়া পদই কালক্রমে বাংলার ঘরে ঘরে প্রবল জনপ্রিয়তা লাভ করে। Unsplash

8 / 8

ভারতের অন্য প্রান্তে এর নাম সমোসা হলেও, বাঙালির কাছে এটি আদ্যোপান্ত সিঙারা। সত্যি আর মিথের মিশেলে তৈরি এই সিঙারার ইতিহাস সত্যিই অবাক করার মতো। আজ বিকেলবেলা চায়ের কাপের সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা সিঙারায় কামড় দেওয়ার সময় এই রাজকীয় লোককথাটি মনে পড়তেই পারে। Unsplash

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us