
শুষ্ক স্ক্যাল্পে খুশকি খুব কমন সমস্যা। শীতকালে কমবেশি খুশকি হয়। কিন্তু শীত চলে যাওয়ার পরও যদি খুশকি না কমে, তখন সাবধান হওয়া দরকার। খুশকির জেরে স্ক্যাল্পে চুলকানি হয়। এমনকি মুখের ব্রণর পিছনেও খুশকি দায়ী হতে পারে। খুশকি তাড়াতে বেশিরভাগ মানুষ অ্যান্টি-ডানড্রফ শ্যাম্পু ব্যবহার করেন। কিন্তু সবসময় অ্যান্টি-ডানড্রফ খুব বেশি কার্যকর হয় না। আপনিও যদি এই সমস্যায় ভোগেন, তাহলে অ্যান্টি-ডানড্রফ শ্যাম্পু ছেড়ে নিম পাতা আর পাতিলেবুর রস ব্যবহার করুন।
নিমের মধ্যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে, যা খুশকি উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। এছাড়া নিম পাতার মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা স্ক্যাল্পের অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়। এমনকি নিমের মধ্যে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট উপাদান রয়েছে, যা স্ক্যাল্পে তেল উৎপাদনকেও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
অন্যদিকে, পাতিলেবুর রস এক্সফোলিয়েশনে সাহায্য করে। এটি মৃত কোষ পরিষ্কার করে। লেবুর রসেও অ্যাস্ট্রিনজেন্ট উপাদান রয়েছে, যা স্ক্যাল্পের তেলতেলে ভাবকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া লেবুর রসে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা স্ক্যাল্পের হাইজিন বজায় রাখে। সপ্তাহে একদিন নিম ও লেবু ব্যবহার করলেই খুশকি দূর হয়ে যাবে। এবার নিম পাতা ও লেবুর রসকে খুশকি তাড়াতে কীভাবে ব্যবহার করবেন, রইল টিপস।
১) নিম পাতার পেস্ট: তাজা নিম পাতা নিয়ে মিক্সিতে পেস্ট করে নিন। এতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ঘন করে নিন। এবার এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে, বিশেষত যে যে অংশে খুশকি বেশি, সেখানে প্রয়োগ করুন। ২০-৩০ মিনিট রাখুন। এরপর মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে ফেলুন।
২) নিম তেল ও লেবুর রস: বাজার থেকে নিম তেল কিনে আনুন। নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে নিন। এতে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন। এতেও খুশকি দূর হয়ে যাবে। নারকেল তেলের সঙ্গে নিম ও লেবু ব্যবহার করলে, এটি স্ক্যাল্প ও চুলকে ময়েশ্চারাইজও করে।