
‘কিং অব রোম্যান্স’ বলে গিয়েছেন ‘প্যায়ার দোস্তি হ্যায়’। তবে এই ফরমুলা মেনে চললে সব সময়েই যে আপনার কেল্লাফতে এমন ভাবার কোনও প্রয়োজন নেই। অনেক সময়েই দেখা গিয়েছে, ছোটবেলার বন্ধু, ছোট থেকে চেনেন যাকে, দুম করে প্রপোজ করে ফেলেছেন আপনাকে। আপনার হয়েছে শাঁখের করাত। বারেবারেই বোঝাতে চাইছেন, ‘তুই আমার বন্ধু ছাড়া কিছুই নয়’। ওদিকে সে আপনাকে নিয়ে নানা রঙের স্বপ্ন বুনে ফেলেছে! আপনি ভাবছেন, না বলে দিলে যদি নষ্ট হয়ে যায় বন্ধুত্ব? ওদিকে হ্যাঁ বলতেও চান না— দিশেহারা হবেন না। এই ছোট্ট টিপস গুলো মেনে চলতে পারেন–সাপও মরবে ওদিকে লাঠিও ভাঙবে না।
না বলতে শিখুন
ঘুরিয়ে ফিরিয়ে না বলার চেয়ে মুখের উপরেই না বলে দেওয়া ভাল। ছোট থেকে যে দেখেছে আপনাকে, তাঁকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে উত্তর দিলে আখেরে লাভের চেয়ে ক্ষতিই হবে বেশি।
কাউকে দিয়ে নয়
আপনার তাঁকে প্রেমিক/ প্রেমিকা হিসেবে পছন্দ নয় এ কথা কোনও তৃতীয় ব্যক্তির মধ্যে দিয়ে যেন তাঁর কাছে না পৌঁছয়। খুব খারাপ ফল হতে পারে। বিশ্বাস ভাঙতে পারে তাঁর। সে অপমানিতও বোধ করতে পারে। তাই নিজেই বলুন।
লেখা যখন ভরসা
মুখের উপর যদি না বলতে না পারেন তবে সাহায্য নিন হোয়াটসঅ্যাপ সহ অন্যান্য সংযোগরক্ষাকারী অ্যাপের। তাঁর প্রতি আপনার অনুভূতি বিশদে জানান তাঁকে। সত্যি কথা সাময়িক কষ্ট দিলেও দিনের শেষে সবটা ঠিক হয়ে যায়
হাল ছেড়ো না বন্ধু
সাময়িক আঘাতে সে হয়তো আপনার সঙ্গে দিন কয়েকের জন্য কথা বলা বন্ধ করে দিতে পারে। ইগো দেখিয়ে তাঁকে দূরে ঠেলে দেবেন না। তাহলে কিন্তু আরও দূরত্ব বাড়বে। বরং ওই সময়টা তাঁর খোঁজ রাখুন। সে যা ভালবাসে তাই করার চেষ্টা করুন।
ভরসা রাখুন বন্ধুত্বে
ছোট থেকে পরিচিত আপনারা। তাই সময় ও নিজের বন্ধুত্বের উপর ভরসা রাখুন। হুট করে কোনও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না। কথাতেই তো বলে, সময় সব কিছু ঠিক করে দেয়।