Women health and wellness: জানেন কেন পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের বেশি ঘুমের প্রয়োজন? ৯০% নারীই এই ভুলটা করেন

Women sleep needs: সংসার ও অফিসের চাপে অনেক নারীরই পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। ভোর হতে না হতেই শুরু হয়ে যায় দৌড়ঝাঁপ। অথচ গবেষণা বলছে, পুরুষদের চেয়ে নারীদেরই ঘুমের প্রয়োজন বেশি! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

Women health and wellness: জানেন কেন পুরুষদের চেয়ে মহিলাদের বেশি ঘুমের প্রয়োজন? ৯০% নারীই এই ভুলটা করেন
কী বলছে গবেষণা?Image Credit source: Free pik

Aug 10, 2026 | 12:31 PM

ক্লান্তি মেটাতে ভালো ঘুম সকলের জন্যই সমান জরুরি। তবে আমাদের চারপাশের ছবিটা ঠিক কেমন? সকালের অ্যালার্ম বাজার আগেই অধিকাংশ ঘরের মহিলাদের ঘুম ভেঙে যায়। সংসার সামলানো, বাচ্চাদের টিফিন তৈরি করা, আর তার সঙ্গে অফিসের কাজের তাড়া,সব মিলিয়ে কাকভোরে ওঠাটা যেন তাঁদের জীবনের বাঁধা ধরা নিয়ম। হাজার কাজের চাপে অনেক নারীই পর্যাপ্ত সময় শুয়ে থাকার সুযোগটুকু পান না। অথচ চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছে! গবেষণায় উঠে এসেছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদেরই শরীর ও মস্তিষ্ক সতেজ রাখতে কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হয়।

আমেরিকার বিখ্যাত ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের (Cleveland Clinic) সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, একজন পুরুষের তুলনায় একজন নারীর প্রতিদিন গড়ে অন্তত ১১ মিনিট বেশি ঘুমের দরকার পড়ে। সময়টা শুনতে অল্প হলেও, বৈজ্ঞানিক দিক থেকে এই বাড়তি ১১ মিনিটের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে শুধু কতক্ষণ শোওয়া হল তা নয়, ঘুমটা কতটা গভীর হল, সেটাও কিন্তু আসল কথা।

কেন মহিলাদের ঘুমের প্রয়োজনীয়তা বেশি?

হরমোনের ওঠানামা: নারীদের শরীরে বিভিন্ন বয়সে শারীরিক পরিবর্তন লেগেই থাকে। পিরিয়ডের দিনগুলো, গর্ভাবস্থা কিংবা বয়সের সঙ্গে আসা পরিবর্তনের সময়ে হরমোনের ব্যাপক তারতম্য ঘটে। এর ফলে রাতে সহজে ঘুম আসতে চায় না বা ঘুম পাতলা হয়ে যায়।

একসঙ্গে একাধিক কাজের চাপ: একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলাতে মহিলাদের মস্তিষ্ককে অনেক বেশি খাটাতে হয়। সারাদিনের এই মানসিক ও শারীরিক ধকলের পর মস্তিষ্ককে আবার নতুন করে সতেজ করতে বাড়তি বিশ্রামের দরকার হয়।

ঘন ঘন ঘুম ভাঙার সমস্যা: রাতের বেলা বাচ্চার খেয়াল রাখা বা টুকিটাকি শব্দে অধিকাংশ মহিলারই গভীর ঘুম হতে চায় না। মাঝরাতে বারবার ঘুম ভেঙে গেলে শুয়ে থাকার সময় বাড়লেও আসল ঘুমটা আর হয় না।

কীভাবে এই ঘাটতি মেটাবেন?

দিনের পর দিন ঘুম কম হলে মেজাজ খিটখিটে হতে পারে, শরীরে ক্লান্তি জমে এবং কাজের ক্ষমতা কমে যায়। তাই বিশেষজ্ঞরা রাতে ঘুমের মান ভালো করতে কয়েকটি সাধারণ অভ্যাসের কথা বলছেন:

  • রাত জেগে ফোন বা ল্যাপটপ দেখার অভ্যাস বদলাতে হবে।
  • সন্ধ্যার পর চা বা কফি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • রাতে খুব ভারী খাবার না খেয়ে সহজপাচ্য খাবার খাওয়া উচিত।
  • প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়া এবং ওঠার চেষ্টা করা দরকার।
  • সংসার ও অফিসের কাজ সামলানোর পাশাপাশি নিজের শরীরের দিকে নজর দেওয়াটাও সমান জরুরি।তাই পর্যাপ্ত ঘুমকে অবহেলা না করে নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য কিছুটা সময় বের করে নেওয়া দরকার।
Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us