Eye health: একই পাওয়ার হলে কি অন্যের চশমা পরা যায়?

Eye health risks: চোখের সুরক্ষা এবং চশমায় আরামদায়ক দৃষ্টি বজায় রাখতে পাওয়ারের মিলই কিন্তু শেষ কথা নয়। তাড়াহুড়োয় বন্ধুর চশমাটি চোখে গলিয়ে নেওয়ার আগে জেনে নিন, একই পাওয়ার থাকা সত্ত্বেও কেন অন্যের চশমা পরে চোখে অস্বস্তি, মাথাব্যথা বা ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা হতে পারে। কী কী করা উচিত?

Sep 07, 2026 | 12:02 PM

1 / 8
সকালে অফিসের তাড়াহুড়োয় চশমা ফেলে বেরিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই থাকে। ঠিক তখনই টেবিলে বন্ধুর চশমার পাওয়ার মিলে যেতেই অনেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দিনভর সেটি পরে কাটিয়ে দেন। তবে পাওয়ার মিলে গেলেও অন্যের চশমা ধার করে পরলে চোখের জন্য অস্বস্তি তৈরি হতে পারে, তা অনেকেই আন্দাজ করেন না। Getty Images

সকালে অফিসের তাড়াহুড়োয় চশমা ফেলে বেরিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই থাকে। ঠিক তখনই টেবিলে বন্ধুর চশমার পাওয়ার মিলে যেতেই অনেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দিনভর সেটি পরে কাটিয়ে দেন। তবে পাওয়ার মিলে গেলেও অন্যের চশমা ধার করে পরলে চোখের জন্য অস্বস্তি তৈরি হতে পারে, তা অনেকেই আন্দাজ করেন না। Getty Images

2 / 8

চশমা তৈরির সময় কেবল চোখের পাওয়ার নয়, পিউপিলারি ডিসট্যান্স বা দুই চোখের মণির মধ্যকার দূরত্বও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মানুষের মুখের গড়ন ও চোখের অবস্থান অনুযায়ী লেন্সের অপটিক্যাল সেন্টার আলাদা জায়গায় বসানো হয়। ফলে বন্ধুর চশমা চোখে দিলে তার কাচের অপটিক্যাল সেন্টার নিজের চোখের মণির সঙ্গে পুরোপুরি নাও মিলতে পারে। Getty Images

3 / 8

অপটিক্যাল সেন্টার ও চোখের মণির অবস্থানের মধ্যে গড়মিল থাকলে লেন্সে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রিজম্যাটিক এফেক্ট তৈরি হতে পারে। PubMed-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অপটিক্যাল সেন্টার সঠিকভাবে না মিললে কিছু মানুষের চোখে ক্লান্তি ও দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এর ফলে মাথাব্যথা, চোখে চাপ, ঝাপসা দেখা বা কখনও ডাবল ভিশনের মতো সমস্যাও হতে পারে। Getty Images

4 / 8

চোখের স্ফেরিক্যাল পাওয়ার একই হলেও অনেকের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম সিলিন্ড্রিক্যাল পাওয়ার বা অ্যাস্টিগম্যাটিজমের পার্থক্য থেকে যায়। প্রেসক্রিপশনে থাকা সেই অ্যাক্সিস বা কোণের গড়মিল হলে অন্যের চশমা পরে চারপাশের লেখা বা বস্তু ঝাপসা কিংবা সামান্য বিকৃত লাগতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এমন চশমা পরে কাজ করলে চোখে ক্লান্তি ও দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে। Getty Images

5 / 8

শারীরিক মাপ ছাড়াও অন্যের চশমা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। কারও ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস থাকলে ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই চোখের সংক্রমণ থাকলে চশমা শেয়ার না করাই ভালো। তবে মনে রাখা জরুরি, অ্যালার্জিজনিত কনজাংটিভাইটিস সংক্রামক নয়। Getty Images

6 / 8

মুখের মাপ অনুযায়ী ফ্রেমের সাইজ ঠিকঠাক না বসলে নাক ও কানের পিছনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। একটু ঢিলেঢালা ফ্রেম হলে চশমা বারবার নেমে যেতে পারে, আবার অতিরিক্ত টাইট ফ্রেম নাক বা কানের পিছনে চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যের ফ্রেম নিজের মুখের গড়নে পুরোপুরি আরামদায়ক নাও হতে পারে। Getty Images

7 / 8

জরুরি কাজে কিংবা বই পড়ার তাগিদে কিছু সময় অন্যের চশমা ব্যবহার করার পর চোখে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি হলে চশমাটি খুলে নেওয়াই ভালো। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য অন্যের চশমার ওপর ভরসা না করে নিজের সঠিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তৈরি চশমা ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images

8 / 8

চশমা কোনও সাধারণ ফ্যাশন অ্যাকসেসরি নয়, এটি ব্যক্তির চোখের পাওয়ার ও প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি একটি দৃষ্টিসংশোধনী উপকরণ। যতই পাওয়ারের মিল থাকুক না কেন, পিউপিলারি ডিসট্যান্স, অপটিক্যাল সেন্টার, সিলিন্ড্রিক্যাল পাওয়ার, অ্যাক্সিস এবং ফ্রেমের ফিটিংয়ের মতো বিষয়েও পার্থক্য থাকতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যবহারের জন্য নিজের চোখের সুনির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন ও মাপ অনুযায়ী তৈরি চশমা পরাই সবচেয়ে উপযুক্ত। Getty Images

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us