
পাট শাক মানে শুধু তেতো নয়, ঠিকঠাক রাঁধলে দারুণ মুখরোচক। কচি পাট পাতা ২ আঁটি নিন, ডাঁটা বাদ দিয়ে ছোট করে কেটে ভালো করে ধুয়ে জল ঝরান। শাক ভেজা থাকলে তেলে দিলেই ছিটবে, তাই শুকনো করে নেওয়াটা জরুরি। Meta AI

কড়াইতে আধ কাপ সরষের তেল গরম করে ১ মুঠো চিনাবাদাম সোনালি করে ভেজে তুলুন। ওই তেলেই ১ টেবিল চামচ রসুন কুচি আর আধ কাপ পেঁয়াজ কুচি বেরেস্তা করুন। ৩-৪টে শুকনো লঙ্কা মুচমুচে ভেজে বেরেস্তার সঙ্গে গুঁড়িয়ে রাখুন। Meta AI

২০০ গ্রাম ছোট চিংড়িতে আধ চা-চামচ হলুদ আর নুন মাখিয়ে লালচে করে ভেজে নিন। বেশি কড়া ভাজবেন না, রসালো থাকলে শাকের সঙ্গে মিশে স্বাদ খোলে। এই চিংড়ি-ভাজার তেলটাই রান্নার আসল ইউএসপি। Meta AI

এবার ওই তেলেই কাটা পাট শাক ছেড়ে দিন। সামান্য নুন দিয়ে মাঝারি আঁচে নাড়তে থাকুন। ঢাকা দেবেন না, খোলা কড়াইতে ভাজলে রং সবুজ থাকবে আর তেতো ভাব কেটে যাবে। শাক থেকে বেরোনো জল শুকোতে দিন। Meta AI

জল টেনে শাক নরম হয়ে এলে ভাজা চিংড়ি মিশিয়ে দিন। তারপর ভাজা বাদামগুলো দিয়ে হালকা হাতে নাড়ুন যাতে বাদাম না ভাঙে। বাদামের ক্রাঞ্চ আর প্রোটিন এই শাকে আলাদা ডাইমেনশন যোগ করে। Meta AI

শেষে রসুন-পেঁয়াজ-লঙ্কার গুঁড়ো মিশ্রণটা ছড়িয়ে ৩০ সেকেন্ড নেড়ে নামিয়ে নিন। এই বেরেস্তা-গুঁড়োই তেতো কাটিয়ে ঝাল-মিষ্টি ব্যালেন্স আনে। বেশি ভাজলে রং কালচে হয়ে যাবে, তাই সময়টা মাপা দরকার। Meta AI

গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের সঙ্গে সার্ভ করুন এই চিংড়ি-বাদাম পাট শাক ভাজা। পাশে এক ফালি গন্ধরাজ লেবু আর কাঁচা লঙ্কা রাখলে স্বাদ আরও খুলবে। বাড়ির রান্নাতেই রেস্তোরাঁর ফিলিংস পাবেন গ্যারান্টি। Meta AI

স্মার্ট টিপস: শাক কেটে ফেলে রাখবেন না, তেতো বাড়ে। সরষের তেল দিলে অথেনটিক স্মেল আসে, সাদা তেলেও চলবে। আয়রন আর ফাইবারে ভরপুর এই পদ ডায়েট-ফ্রেন্ডলি, তবে কিডনির সমস্যা থাকলে নুন-তেল বুঝে খান। Meta AI